বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১১:১০
শিরোনাম :
হাফপ্যান্ট আর হুডি পরে নেতানিয়াহুর সাথে মার্কিন সিনেটরের বৈঠক চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব

রাস্তা ছাড়া শহর বানাচ্ছে সৌদি আরব

অনলাইন ডেস্ক  এমন এক শহর তৈরি করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, যাতে কোনো রাস্তাও থাকবে না এবং গাড়িও চলবে না। কার্বন নিঃসরণ হয়, এমন কোনো জিনিস রাখা হবে না। রবিবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের এই ঘোষণার পরেই বিশ্ব জুড়ে এই শহর নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে তৈরি হবে এই শহর। লোকসংখ্যা হবে ১০ লাখের মতো।

জানা গেছে, ২০১৭ সালেই এই শহর তৈরির পরিকল্পনা করেছিল সৌদি। ২৬ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটারের ওপর তৈরি হবে এই শহর। ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো শহরটি তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে্স বচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এ শহরে কোনো গাড়ি চলবে না। তবে শহরটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকবে না। বরং অত্যাধুনিক হবে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, নিউ জেনারেশন শহরের মডেল হয়ে থাকবে সৌদি আরবের এই প্রকল্প।

যুবরাজ জানিয়েছেন, শহরে যানবাহন এবং রাস্তা না থাকলেও পথচারীদের জন্য অত্যাধুনিক পাথওয়ে বা হাঁটার জায়গা থাকবে। অতি দ্রুত যে পাথওয়ের সাহায্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে যাওয়া যাবে। মূলত বিজনেস বা বাণিজ্য হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে এই শহর। থাকবে থাকার ব্যবস্থাও। সমস্ত কিছু চলবে পরিশ্রুত জ্বালানির সাহায্যে। পরিবেশের কোনোরকম ক্ষতি করবে না সেই জ্বালানি।

এ শহর নির্মাণ প্রকল্পের নাম নিয়োম জোন। লোহিত সাগরের ধারে জিরো এমিশন বা সম্পূর্ণ দূষণহীন এই শহর তৈরির কাজ শুরু হবে এ বছরের প্রথম অর্ধে। কাজ শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় ১০ বছর। তবে গাড়ি না থাকলে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে ২০ মিনিটের বেশি সময় লাগবে না বলে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

এই প্রকল্পের জন্য সৌদি আরবের ৫০০ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে । পুরো প্রকল্পটি শেষ হলে প্রায় তিন লাখ ৮০ হাজার মানুষ কাজের সুযোগ পাবেন এখানে।