বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:২৬
শিরোনাম :
বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর

মিয়ানমারে সশস্ত্র টহল, বিক্ষোভকারীদের ২০ বছর সাজার হুমকি

অনলাইন ডেস্ক  সশস্ত্র বাহিনীকে বাধা দিলে ২০ বছর পর্যন্ত কারদণ্ড হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা।

সোমবার সামরিক বাহিনীর একটি ওয়েবসাইটে পোস্ট করা বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া লোকজনের ৭ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

এর পাশাপাশি যারা শঙ্কা বা অস্থিরতা উসকে দিয়েছেন বলে দেখা যাবে তাদের তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

জান্তা সরকার অভ্যুত্থানবিরোধী প্রতিবাদকারীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, সশস্ত্র বাহিনীকে বাধা দিলে তাদের ২০ বছর পর্যন্ত কারদণ্ড হতে পারে।

সামরিক অভ্যুত্থানের নেতাদের প্রতি কেউ মৌখিক বা লিখিত বাক্যের মাধ্যমে বা কোনো সাইন বা দৃশ্যমান কিছু উপস্থাপনের মাধ্যমে ‘ঘৃণা বা অবজ্ঞা’ উসকে দিলে তাকেও দীর্ঘমেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা গুনতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনারা।

মিয়ানমারে বিক্ষোভ দমনে মারমুখী অবস্থানে সেনাবাহিনী। রোববার রাত থেকে বিভিন্ন শহরের রাস্তায় সশস্ত্র টহল দেয়া শুরু করেছে তারা। একটি স্থানে ‘গুলি’ চালানোর খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে দশম দিনের মতো বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানী নেপিদো ও ইয়াঙ্গুনসহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নামেন।

কাচিন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় গুলির শব্দ শোনা গেছে।

ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কাচিনের রাজধানী মিতকিনা নগরীতে একটি পাওয়ার প্ল্যান্টের বাইরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ছুড়ছে।

তবে তারা তাজা গুলি নাকি রাবার বুলেট ছুড়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেখান থেকে স্থানীয় পাঁচ সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।

এদিকে রোববার সন্ধ্যা নামার পরপরই বাণিজিক্য নগরী ইয়াঙ্গুন, মিতকিনা ও রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতউইতে সড়কে সাঁজোয়া যান চলতে দেখা যায়। এরমধ্যেই ইয়াঙ্গুনে মিছিল বের করেন বৌদ্ধভিক্ষু ও প্রকৌশলীরা।