বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:১৩
শিরোনাম :
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ

খাশোগি হত্যাকাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ!

অনলাইন ডেস্ক  মার্কিন সরকার শিগগিরই সৌদি রাজ পরিবারের কঠোর সমালোচক ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করতে যাচ্ছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন আগামী সপ্তাহ নাগাদ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রগুলো নিশ্চিত হয়েছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের নির্দেশেই খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। তার সঙ্গে ছিলেন তার তুর্কি বাগদত্তা খাদিজা চেঙ্গিস।

বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতেই ওই বছর ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করেছিলেন খাশোগি।

তার নিখোঁজ রহস্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে সৌদি সরকার।

ট্রাম্প খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দলিল গোপন রাখার নির্দেশ দিলেও বাইডেনের নির্দেশে তা উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে।

সৌদি কনস্যুলেট কর্মকর্তারা প্রথমে দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় কর্মকর্তাদের ভুলে নিহত হন ওই সাংবাদিক। তবে তার মৃতদেহের কোনও সন্ধান দেননি তারা।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বছরের অক্টোবরে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাগদত্তা। এতে অভিযোগ করা হয়েছে, সৌদি যুবরাজই খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে ওই হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরে বিষয়টি টপ অব দ্যা ওয়ার্ল্ডে পরিণত হলেও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে বাঁচিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং তার দৃঢ় অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বিষয়টি নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি করেনি।