শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৮:০৫
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

শশীভূষণে অবৈধ ইটভাটা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত

ভোলা প্রতিনিধি  ফসলী জমি ও বিভিন্ন বাড়ী সংলগ্ন কাগজপত্র বিহীন পরিবেশ নষ্ট করে অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা ভোলার চরফ্যাসনের শশীভূষনে ৩টি ইটভাটা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার(৯মার্চ) উপজেলার শশীভূষণ থানার চর কলমী ও রসুলপুর ইউনিয়নের করিমপুর এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গুড়িয়ে দেওয়া ইটভাটা তিনটি হলো-চরকলমী ইউনিয়নের বকসি ঘাট সংলগ্ন আবুল হোসেন ফরাজীর মালিকানাধীন ফরাজী ব্রিকস, চরকলমী ইউনিয়নের চৌমুহনী এলাকায় জয়নালের মালিকানাধীন রিফাত ব্রিকস ও রসুলপুর ইউনিয়নের করিমপুর এলাকায় রাসেল পন্ডিতের মালিকানাধীন মাওয়া ব্রিকস।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক জানান, ইট ভাটাগুলোর কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। তারপরে ফসলী জমি ও বিভিন্ন বাড়ি সংলগ্ন অবৈধভাবে ইটভাটাগুলো গড়ে উঠছে। কয়লার পরিবর্তে গাছ দিয়ে ইট পোড়ানো এবং ড্রাম চিমনি ব্যবহার করে পরিবেশ নষ্ট করায় ইটভাটাগুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এসব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, র‌্যাব-৮, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইটভাটা গুলো থাকায় কয়েক বছর যাবৎ ক্ষেতের ফসল গাছের ফল হয়না। তাদের গাছের পাতাসহ ইটের কালো ধোয়ায় বাড়ী ঘরে থাকতে কষ্ট হয়। তাই ব্রিকস গুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়ায় তারা খুশি।