শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:৪০
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

পটুয়াখালীতে লকডাউন কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি  দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমন বৃদ্ধির পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারাদেশের মতো পটুয়াখালী জেলায় ১৪ই এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন বলবত করেছেন জেলা প্রশাসন।

এর আগে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পটুয়াখালী জেলায় লক ডাউন চলাকালে শুধু জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সকল অফিস, আদালত, দোকানপাট, গণপরিহণ এবং অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

এরই প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী জেলায় চলছে কঠোর লকডাউন। ১৪ এপ্রিল সকাল থেকেই পুলিশ প্রশাসনকে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। শহরের গুরত্বপূর্ন স্থানে মাস্ক বিহিন লোকজনকে এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হলে জরিমানা করেছে। এছাড়াও শহরের প্রধান সড়কে চলতে দেখা যায়নি গনপরিবহন এবং অটোরিক্সা। পটুয়াখালী জেলার সদর রোড, নিউমার্কেট, পুরানবাজার এবং বাধঘাট এলাকার দোকান এবং খোলাবাজার বন্ধ রয়েছে। প্রতিটি রাস্তার মোড়ে দেখা গেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের।

লতিফ স্কুল রোডের ব্যবসায়ী তুষার দাস বলেন,“ এক সপ্তাহের লক ডাউনে আমাদের দোকান বন্ধ রাখতে হবে। সাময়িক ব্যবসায় ক্ষতি হলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে সবাই রক্ষা পাবো।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, কঠোর লকডাউনে পটুয়াখালী জেলায় বহিরাগতদের প্রবেশে নজরদারি রাখা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার সকল গুরত্বপূর্ন স্থানে অযথা ঘোরাফেরা করা লোকজনকে সচেতন করা হচ্ছে এবং মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।