মঙ্গলবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:১১
শিরোনাম :
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: ইরান গৌরনদীতে একসাথে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলাঃ দুই সাংবাদিককে আসামী করায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্বেগ সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা

পটুয়াখালীতে লকডাউন কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি  দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমন বৃদ্ধির পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারাদেশের মতো পটুয়াখালী জেলায় ১৪ই এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন বলবত করেছেন জেলা প্রশাসন।

এর আগে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পটুয়াখালী জেলায় লক ডাউন চলাকালে শুধু জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সকল অফিস, আদালত, দোকানপাট, গণপরিহণ এবং অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

এরই প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী জেলায় চলছে কঠোর লকডাউন। ১৪ এপ্রিল সকাল থেকেই পুলিশ প্রশাসনকে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। শহরের গুরত্বপূর্ন স্থানে মাস্ক বিহিন লোকজনকে এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হলে জরিমানা করেছে। এছাড়াও শহরের প্রধান সড়কে চলতে দেখা যায়নি গনপরিবহন এবং অটোরিক্সা। পটুয়াখালী জেলার সদর রোড, নিউমার্কেট, পুরানবাজার এবং বাধঘাট এলাকার দোকান এবং খোলাবাজার বন্ধ রয়েছে। প্রতিটি রাস্তার মোড়ে দেখা গেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের।

লতিফ স্কুল রোডের ব্যবসায়ী তুষার দাস বলেন,“ এক সপ্তাহের লক ডাউনে আমাদের দোকান বন্ধ রাখতে হবে। সাময়িক ব্যবসায় ক্ষতি হলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে সবাই রক্ষা পাবো।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, কঠোর লকডাউনে পটুয়াখালী জেলায় বহিরাগতদের প্রবেশে নজরদারি রাখা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার সকল গুরত্বপূর্ন স্থানে অযথা ঘোরাফেরা করা লোকজনকে সচেতন করা হচ্ছে এবং মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।