শুক্রবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ২:১৩
শিরোনাম :
সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

না ফেরার দেশে চলে গেলেন জবি শিক্ষার্থী সিরাজুল

মিজানুর রহমান, জবি প্রতিনিধিঃ সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ আগস্ট) বিকাল ৫.৩০ এর দিকে রাজধানীর সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। জবি প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রসায়ন বিভাগের ১৪তম আবর্তনের (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন সিরাজুল। তার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার আটঘরিয়া উপজেলায়। মেধাবী শিক্ষার্থী সিরাজুল কেমিস্ট্রি অলেম্পিয়াড ২০১৬ তে আঞ্চলিক পর্যায় বিজয়ী হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেছিলো।
জানা যায়, ভাইরাল এনসেফালাইটিস নামক মস্তিষ্ক সংক্রামণজনিত রোগে তার মৃত্যু হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই তার মাঝেমাঝে জ্বর হতো। সর্বশেষ ঈদের ছুটিতে পাবনায় গ্রামেরবাড়িতে গেলে ঈদের দিন বিকালে জ্বর নিয়ে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে ২দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী অথবা ঢাকায় নিতে বললে তাকে ঢাকা সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) সিটি হাসাপাতালে তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
এবিষয়ে সিরাজুলের প্রতিবেশী ও সহপাঠী মাহামুদ বলেন,ঈদের দিন বিকালে সিরাজুলকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন ডাক্তার তাকে রাজশাহী অথবা ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে। যেহেতু জ্বর তাই ডেঙ্গু বলে সন্দেহ করা হচ্ছিলো। কিন্তু ৩বার ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হলেও ডেঙ্গু ধরা পরেনি।
সিরাজুলের সহপাঠী ও রসায়ন বিভাগের ১৪তম আবর্তনের শিক্ষার্থী জামশেদ অদদআলি দিপু বলেন, ওর অসুস্থতার বিষয়ে আগে কিছু জানতাম না। ঈদের ২-৩ দিন পর মোবাইলে কথা হয়। তখন বলে ওর কিডনিতে পানি জমেছে তাই ঢাকায় চিকিৎসা করাতে আসছে।
রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক অমিনুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমি খবর পেয়ে বিকালে সিটি হাসপাতালে যায়। তখন ওকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিলো। আমি যাওয়ার কিছুসময় পর ৫.৩০-৬.০০টার মধ্যে মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, ডাক্তারদের সাথে কথা বলে জেনেছি ভাইরাস থেকে ব্রেনে সংক্রামণ হয়ে মৃত্যু হয়েছে।
এবিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুভ বলেন, ওর রোগটা হলো ভাইরাল এনসেফালাইটিস। এটা মূলত ভাইরাস থেকে মস্তিষ্কে সংক্রামণ ঘটায়। পেশেন্টের পরিবার থেকে বলা হয় দুইদিন আগে থেকে জ্বর হচ্ছে। কিন্তু পেশেন্ট বলেছে আগেও তার জ্বর আসলেও সে গুরুত্ব দেয়নি। ১৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে আমরা তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে নিই। তার ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে, রক্তে প্লাটিলেডের পরিমাণ সামান্য কম থাকলেও সকল রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।
প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ওকে নিয়ে সন্ধ্যার দিকে পরিবারের সদস্যরা পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আমাদের একজন শিক্ষক হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। যদি আগে খবর পেতাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওর চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হতো।