শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৩২
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ঢাবিতে মোবাইল কোর্টের অভিযান, নারী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা!

ডেস্করিপোর্ট  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সোমবার রাতে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় তিনজনকে জরিমানা করেন তিনি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান ওই তিনজন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নাম মেরীনা নাজনীন। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদ উপস্থিত ছিলেন।

রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আইএমএল) সামনে এ ঘটনা ঘটে। যাদের জরিমানা করা হয়েছে, তাদের নাম জানা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, রাত ৮টার দিকে ওই ম্যাজিস্ট্রেট ক্যাম্পাসে আইএমএলের সামনে আসেন। এ সময় আইএমএলের সামনে যারা ছিলেন, তাদের জরিমানা করেন তিনি। যাদের জরিমানা করা হয় তাদের সঙ্গে ওই ম্যাজিস্ট্রেটের বাকবিতণ্ডা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করায় ক্ষুব্ধ হন তারা।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেরীনা নাজনীন গণমাধ্যমকে বলেন, আজকে সারা দিন আমরা শাহবাগ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। পরে শাহবাগ থেকে ফেরার পথে ক্যাম্পাস এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি কয়েকজন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। তারা মাস্কও পরেননি। তখন কারণ জিজ্ঞেস করতে গেলে তারা আমার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করেন। মাস্ক না পরার কারণে দুজনকে ২০০ টাকা করে ও একজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কেবিনেট থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর এ সবকিছু কেবিনেটের আন্ডারে। তা ছাড়া আমি যেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি, সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা না। সেটি রাস্তার মধ্যে এবং এই রাস্তাগুলো সিটি করপোরেশনের আওতাধীন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, মোবাইল কোর্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ম্যাজিস্ট্রেট যা করেছেন, তা সঠিক কাজ। এখন ইমার্জেন্সি সময় চলছে, এ সময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্যাম্পাসে অবস্থান করা আইনবহির্ভূত।