শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:২৯
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

সৌদি আরবের এক প্রিন্সের বিরুদ্ধে ৭ নারীর গুরুতর অভিযোগ, চলছে তদন্ত

অনলাইন ডেস্ক  সৌদি আরবের এক যুবরাজের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে গুরুতর অভিযোগ করেছেন তারই সাত নারী কর্মচারী। এ অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন ফরাসি প্রসিকিউটরা।

অভিযোগ জানানো ওই সাত নারীর অধিকাংশই ফিলিপিন্সের। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

খবরে বলা হয়, সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার মালিকানাধীন প্যারিসের বাইরের একটি অ্যাপার্টমেন্টে তিনি সাত কর্মচারীকে আধুনিককালের দাসত্বের মধ্যে রেখেছিলেন।

ফরাসি গণমাধ্যম লে প্যারিসিয়েনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে মানবপাচার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

মামলাটির সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে খবরে বলা হয়, প্রসিকিউটররা অভিযোগের বিষয়ে নারীদের বক্তব্য শুনেছেন। ওই সৌদি যুবরাজ ফ্রান্সে না থাকায় তার কোনো বক্তব্য নিতে পারেননি প্রসিকিউটররা।

তবে যে যুবরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্র জানায়, ওই নারীদের সৌদি আরবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তারা সৌদি আরব ও ফ্রান্সে যুবরাজ এবং তার পরিবারের কর্মচারী হিসেবে কাজ করেছেন। যুবরাজের অ্যাপার্টমেন্টে ওই নারীদের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে ২০০৮, ২০১৩ ও ২০১৫ সালে।

অভিযোগে বলা হয়, এদের মধ্যে কয়েকজন কর্মচারীকে ফ্লোরে ঘুমাতে হতো। রাজপুত্রের চার সন্তানের জন্য পরিবেশন করার সময় শুধু খাবার জুটত তাদের।

বেসরকারি সংস্থা এসওএস এসক্লেভসের প্রধান আনিক ফুগেরক্স বলেন, যখন প্রথম তাদের সঙ্গে দেখা হলো, তখন তারা ছিল অত্যন্ত ক্ষুধার্ত। এ বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে। তারা সেই সময় ক্ষুধার কারণে কাঁদছিল।

এর আগে নিজের অ্যাপার্টমেন্টের এক কর্মীকে মারধর করার অভিযোগে সৌদি আরবের প্রিন্সেস হাসসা বিনতে সালমানের ১০ মাসের স্থগিত জেল দেওয়া হয়েছিল এবং জরিমানা করা হয়েছিল ১১ হাজার মার্কিন ডলার।