শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:২৭
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

সোহেল রানাসহ ই-অরেঞ্জের ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্করিপোর্ট  গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

শনিবার আদালতের গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সোহেল রানা ছাড়া অপর আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ, নাজনিন নাহার বিথি, কাওসার, কামরুল হাসান, আবদুল কাদের, নূরজাহান ইসলাম সোনিয়া ও রুবেল খান।

জানা গেছে, গতকাল (৩ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের হয়। পরে মামলাটি আদালতে পৌঁছলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান এজাহারটি গ্রহণ করে তদন্ত করে আগামী ১০ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেছেন।

ইসতিয়াক হোসেন টিটু নামের এক ভুক্তভোগী গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলার আবেদন করেন। আদালত ইসতিয়াকের জবানবন্দি গ্রহণ করে গুলশান থানার ওসিকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা ই-অরেঞ্জ নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক, কর্মচারী ও সহযোগী। তারা ই-অরেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পণ্য সরবরাহ ও বিক্রি করেন। মামলার বাদী ও সাক্ষীরা প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে পণ্য কেনার জন্য নগদ/বিকাশ/ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ড/ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ও তারিখে অর্থ প্রদান করে। যার পরিমাণ ৭৬ লাখ ৪১ হাজার ১০২ টাকা টাকা। টাকা প্রদানের পর পণ্য না দিয়ে আসামিরা এই অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে মামলার এজাহারে।

এর আগে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় গত ১৭ আগস্ট ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রতারণার শিকার গ্রাহক মো. তাহেরুল ইসলাম। ওই সময় তার সঙ্গে প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জন উপস্থিত ছিলেন। গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই মামলা হয়। আসামিরা হলেন ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, আমানউল­্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ এবং পুলিশের বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানা।