শনিবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১:৫৩
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

পুলিশে চাকরির নামে প্রতারণা, ভুয়া ডিআইজিসহ গ্রেফতার ৩

ডেস্করিপোর্ট  চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পুলিশে চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার ওসমানপুর ও কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার দয়ারামপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ওসমানপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মহিদুল ইসলামের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। পরে মহিদুল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করার কথা রয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন আলমডাঙ্গার হারদী ইউনিয়নের ওসমানপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩০), কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুরের আবদুল মান্নানের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন (৩৮) ও কুমারখালী উপজেলার দয়ারামপুরের মৃত হামিদ আলীর ছেলে আবদুল লতিফ (৩৫)। তাদের মধ্যে উজ্জ্বল হোসেন নিজেকে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে পরিচয় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, মহিদুল ইসলামের ভাতিজা নাফিজ আহমেদের সঙ্গে উজ্জ্বল হোসেনের মুঠোফোনে কথা হয়। উজ্জ্বল নিজেকে পুলিশের ডিআইজি বলে পরিচয় দেন। তিনি নাফিজকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এই নিয়োগের জন্য তিনি আট লাখ টাকা দাবি করেন। আর টাকা দিতে নাফিজ ও মহিদুলকে উৎসাহিত করেন উজ্জ্বলের দুই সহযোগী আবদুল্লাহ আল মামুন ও আবদুল লতিফ।

এক পর্যায়ে উজ্জ্বলের দেওয়া বিকাশ নম্বরে ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা পাঠান মহিদুল। টাকা পাঠানোর পরে উজ্জ্বলের কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। এ অবস্থায় মহিদুল আলমডাঙ্গা থানায় যোগাযোগ করেন। তখন থানা–পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উজ্জ্বল হোসেন নামে ডিআইজি পদে কেউ নেই।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, মহিদুলের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পরে মহিদুল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।