মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:১০
শিরোনাম :
সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল! হামলা হলে ৭ দেশের এআই ও তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা ১৩৫ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী

রাবির সান্ধ্যকোর্স বিরোধী আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সব আসামি খালাস

রাবি প্রতিনিধি: ২০১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘বর্ধিত ফি ও সান্ধ্যকোর্স’ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর অস্ত্রসহ হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েত কবির সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজী শওকত সালেহীন বলেন, ‘মামলার দুর্বল সাক্ষীর কারণে সকল আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছে। বাদী পক্ষের ২২ জন সাক্ষী ছিলেন। তার মধ্যে শুধু বাদী মামলার পক্ষে সাক্ষী দিয়েছেন। বাকি ২১ জনই মামলার পক্ষে আদালতে শক্তভাবে সাক্ষী দিতে পারেন নি। এজন্য আদালতের বিচারক চার্জশিটে অভিযুক্তদের খালাস দিয়েছেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বর্ধিত ফি ও সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিল দাবিতে আন্দোলনকারী কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ওপর ওই দিন একটি ছাত্রসংগঠন অতর্কিত হামলা করে। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। হামলার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ কিছু শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবন, একাডেমিক ভবন ও আবাসিক হলে ভাঙচুর চালায়।

ঘটনার পরদিন নগরীর মতিহার থানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ ও ছাত্রলীগ পৃথকভাবে দুটি করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের করে। যেখানে ১০৫ জনের নাম উল্লেখসহ ৪৭৫ জনকে আসামি করা হয়। পরে ছাত্রলীগ তাদের মামলা তুলে নিলেও পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মামলা তুলে নি।

‘নাশকতা, সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা’ দেওয়ার অভিযোগে মতিহার থানা পুলিশের দায়ের করা মামলায় ৪৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০-১৫০ জনকে আসামী করা হয়।

মামলায় প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ২০১৭ সালের ৭ মে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল হান্নান অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ১৬ নেতাকর্মী, রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের তৎকালীন সভাপতি আশরাফুল আলম ইমন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীসহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

পরে ২৯ মে আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। মামলায় মোট ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার এই মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়।