শনিবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৫৫
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি

কিমের সেই ‘প্রেমপত্র’ মিলল ট্রাম্পের রিসোর্টে

অনলাইন ডেস্ক  যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবকাশযাপনকেন্দ্র ‘মার-এ-লাগো’ থেকে কয়েক বাক্স নথিপত্র উদ্ধার করেছে দেশটির ন্যাশনাল আর্কাইভ।

সেগুলোর মধ্যে ট্রাম্পকে লেখা উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের কয়েকটি ‘প্রেমপত্র’ পাওয়া গেছে। খবর স্পুটনিক ও ওয়াশিংটন পোস্টের।

উদ্ধার হওয়া নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চিঠিপত্রও। এ মাসেই নথিপত্রগুলোর সন্ধান পায় ন্যাশনাল আর্কাইভ।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউস থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নথিগুলো সরানোর অভিযোগ উঠেছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।

দেশটির আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষের পর সেগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু নথিগুলো ফিরিয়ে না দিলেও সেগুলো সরানোর পেছনে ট্রাম্পের কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না বলে ওয়াশিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন ট্রাম্পের সাবেক এক সহযোগী।

১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর হোয়াইট হাউসের নথিপত্রগুলো সংরক্ষণ করতে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল রেকর্ড আইন’ করা হয়।

ওই আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রেকর্ড সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ট্রাম্পকে লেখা কিমের চিঠিগুলোর বিষয়টি সামনে আসে ২০১৮ সালে। সে বছর ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা প্রেমে পড়েছি। আসলে, না। তিনি (কিম) আমাকে সুন্দর সুন্দর চিঠি লেখেন।’

ট্রাম্পের ওই বক্তব্য বেশ সাড়া ফেলে। গণমাধ্যম থেকে শুরু করে তাঁর বিরোধী, এমনকি নিজ দলের সমর্থকদের কাছেও ওই চিঠিগুলো ট্রাম্প-কিমের ‘প্রেমপত্র’ নামে পরিচিতি পায়।