শনিবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:০৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে পুতিনকে এরদোগানের ‘চাপ’

অনলাইন ডেস্ক  ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন বন্ধের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। রোববার পুতিনকে টেলিফোন করে এরদোগান যুদ্ধ বন্ধে ‘চাপ’ সৃষ্টি করেন। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

এরদোগান পুতিনকে বলেন, এই অঞ্চলে শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক পরিস্থিতির উন্নয়ন খুবই প্রয়োজন।

ফোনালাপের বিষয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের গুরুত্ব, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও এ অঞ্চলে মানবিক পরিস্থিতির উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন এরদোগান।

দুই নেতা ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে পরবর্তী আলোচনা ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে সম্মত হন।

রোববার ইউক্রেনের আলোচক দলের সদস্য ডেভিড আরাখামিয়া জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে পরবর্তী সরাসরি আলোচনা ২৯ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে তুরস্কে।

এর আগে বৃহস্পতিবার এরদোগান পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে ‘সম্মানজনক প্রস্থানের’ আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে দুদেশের মধ্যে আরও মধ্যস্থতা করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। ‘আমি পুতিনকে বলেছি এই যুদ্ধ থেকে সরে এসে আপনি শান্তির রূপকার হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন।’

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পর থেকে সেখানে যুদ্ধ চলছে। এক মাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ বন্ধ করেননি পুতিন।