শনিবার, ২০শে মে, ২০২২ ইং, রাত ৪:৫৭

কুষ্টিয়ায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিন উদযাপিত

ডেস্করিপোর্ট  কুষ্টিয়ার শিলাইদহে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিন উদযাপিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মে) বিকাল ৪টায় কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানাধীন শিলাইদহ ইউনিয়নের রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির পাশেই জাতীয় পর্যায়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের দ্বিতীয় দিনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কুষ্টিয়া জেলার মাটি ও মানুষের অতি আপন জন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া – ৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মাহবুবউল আলম হানিফ, এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। তিনি গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোভেল পুরস্কার পান। কবিতা, গান, চিত্রশিল্পী, উপন্যাস তথা বাংলা সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদচারনা ছিল বিধায় তাকে বিশ্বকবি উপাধি দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একশত বছর আগে যা লিখে রেখে গেছেন, তা আজও বাঙ্গালী জাতির কাছে অমর হয়ে আছে এবং বাঙ্গালী জাতি যতদিন এই পৃথিবীতে থাকবে, বাংলা ভাষার অস্তিত্ব যতদিন থাকবে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙ্গালীর মনিকোঠায় চির অমর হয়ে থাকবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া – ৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ বলেন, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা সাহিত্য, শিল্প, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, সংস্কৃতি, ধর্ম, রাজনীতি সমাজ সেবা তথা সকল ক্ষেত্রে অনুকরণীয় বিধায় উক্ত স্থানটিকে ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জোর তাগিদ দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া মোঃ খাইরুল আলম বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, বাংলা ভাষা তথা পূর্ব বাংলাকে খুব বেশী ভাল বাসতেন ; যে কারণে তিনি লন্ডনে থেকে লেখাপড়া করার চেয়ে কুষ্টিয়ার রবিন্দ্র কুঠিবাড়িতে থাকা বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করতেন। বস্তত কুঠিবাড়ীতে অবস্থানকালীন সময়ে বাংলা সাহিত্যেকে তিনি অনেক বেশি সমৃদ্ধ করেছিলেন। আলোচনা সভা শেষে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পর্যায়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়া। স্মারক বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আজিজুল হক, অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট লালিম হক, বিশিষ্ট লেখক ও সভাপতি, বোধোদয়, কুষ্টিয়া।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন হাজী রবিউল ইসলাম, প্রশাসক, জেলা পরিষদ, মোঃ আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক, জেলা আওয়ামী লীগ, রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, সভাপতি কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব – কেপিসি, কুষ্টিয়া, বিতান কুমার মন্ডল, উপজেলা নির্বাহি অফিসার কুমারখালী, সূধীজন, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, রবীন্দ্র ভক্তবৃন্দ, দর্শক এবং কুষ্টিয়া জেলার ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।