শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:১০
শিরোনাম :
হামলা হলে ৭ দেশের এআই ও তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা ১৩৫ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী বঙ্গবন্ধুর ম‍্যুরালে ফুল না দেয়া ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে বলি বিআরটিসির কর্মকর্তা নূর-ই-আলম বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে মায়েদের মিলনমেলা, ‘মাদার্স মোমেন্ট’ অনুষ্ঠিত বিএম কলেজের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি লাকসামে ঢাকাগামী কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিআরটিসি’র স্পেশাল বাস সার্ভিস,প্রশংসিত ম্যানেজার জুলফিকার! প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন স্বৈরাচার অর্থ সরবরাহ করছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

জয়-লেখকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি

ডেস্করিপোর্ট  ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের অপকর্মের বিরুদ্ধে শতাধিক ছাত্রলীগ নেতার লিখিত অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দপ্তরে জমা দিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়েছিল সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির বেশকিছু নেতা।

গতকাল শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার কাছে সিলগালা করা অভিযোগপত্রটি হস্তান্তর করার কথা থাকলেও তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অভিযোগপত্রটি ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের চার নেতার কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত হয়।

অভিযোগ সম্পর্কে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কামাল খান বলেন, ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতার স্বেচ্ছাচারিতা, কেন্দ্রীয় নেতাদের অবমূল্যায়ন, পদ-বাণিজ্য, প্রেস রিলিজের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কমিটি গঠন, চাঁদাবাজ, মাদকসেবী, ছাত্রদল ও শিবিরকর্মীদের কমিটিতে পদায়নসহ সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছি। অভিযোগপত্রে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নানা অপকর্মের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগপত্রে প্রায় ১০০ কেন্দ্রীয় নেতার সই নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, চার বছর চার মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও কেন্দ্রীয় কমিটির কোনো সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়নি এবং এ বিষয়ে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তারা বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেননি। বর্তমান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মেয়াদ চার বছর তিন মাস পার হয়েছে। এ অবস্থায় নিজেদের কর্তৃত্ব ধরে রাখার জন্য এবং সংগঠনকে বিতর্কিত করতে সম্মেলন ছাড়া যাতে নতুন করে কোনো কমিটি করতে না পারে সে জন্য সংগঠনের অভিভাবকের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।