শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:১৩
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

৬৭টি ভুয়া গার্মেন্টসের নিবন্ধন বাতিল

ডেস্ক রিপোর্ট ।। কারখানা বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (টিআইএন) না থাকলেও ৪২৯টি গার্মেন্টস কারখানা সরকারের নানা সুবিধা নিচ্ছে। মূলত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐ গার্মেন্টস কারখানাগুলোর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নির্বাচনে একটি পক্ষ ঐ কারখানাগুলোর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। ইতিমধ্যে ৬৭টি কারখানার নাম ঐ নির্বাচনের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে নির্বাচনি আপিল বোর্ড। তবে বাকি কারখানাগুলোর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন দিয়েছে একটি পক্ষ।

এফবিসিসিআই আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালে গত ৩১ জানুয়ারি ভুয়া ভোটারের বিষয়ে আবেদন দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত তা শুনানির জন্য আসেনি। এ বিষয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালের মহাসচিব বরাবর একটি তাগাদাপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ দেওয়ার আট দিনের মাথায়ও এ বিষয়ে কোনো শুনানি হয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা আদৌ নেওয়া হবে কিনা সে বিষয়েও অভিযোগকারীকে কিছু জানানো হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগ দেওয়ার সাত দিনের মাথায় এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা। আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি দেশের বাইরে আছেন। বিষয়টি নিয়ে কি করা যায় তা পর্যালোচনা করতে ট্রাইব্যুনাল সচিবালয়কে দেখতে বলা হয়েছে।

তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের কয়েক জনের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, নামসর্বস্ব এসব কারখানা মালিকের কারণে পুরো খাতের বদনাম হচ্ছে। তারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নানা ধরনের জাল জালিয়াতিতে জড়িত হয়ে পড়ে। অনেক সময় বিজিএমইএ এসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ইউজার্স ডিক্লারেশনের কাগজপত্রসহ নানা ডুকুমেন্ট সরবরাহ করে। বিভিন্ন জায়গায় এসব কারখানা মালিক বিজিএমইএর সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে নানা সুবিধা ভোগ করে।