শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:১৯
শিরোনাম :
দেশে কেউ সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, সব নাগরিকের পরিচয় বাংলাদেশি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ বরিশাল চরকাউয়ায় মসজিদ-মন্দিরের নানা অব্যবস্থাপনা, দ্রুত সমাধান জরুরী সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন

পদত্যাগ করলেন বিএম কলেজের উপাধ্যক্ষ কাইয়ুম উদ্দীন আহমেদ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এএস কাইয়ুম উদ্দীন আহমেদ পদত্যাগ করতে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিলো। অবশেষে শিক্ষার্থীদের বেঁধে দেওয়া আল্টিমেটামের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবারের (১৩ আগস্ট) বেলা এগারোটার মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে বলেন। অন্যথায় ফের আন্দোলনের হুমকি প্রদর্শন করা হয়।

ছাত্র আন্দোলনে বিএম কলেজের সমন্বয়ক মুহাইমিনুল ইসলাম ফরহাদ বলেন, উপাধ্যক্ষ স্যার কখনোই শিক্ষার্থী বান্ধব ছিলেন না। তিনি অনেক আগ থেকেই বিএম কলেজ ছাত্রলীগকে লালন পালন করে আসছিলেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার সাথে তিনি সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি সর্বপ্রথম বহিরাগত ছাত্রলীগ দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা বিধিমালা লঙ্ঘন করে এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় সোমবার (১২ আগস্ট) সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে। সেই অনুযায়ী তিনি মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন।

ছাত্রলীগকে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে উপাধ্যক্ষ প্রফেসর এএস কাইয়ুম উদ্দীন আহমেদ বলেন, আমি সরকারের একজন বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা। সুতরাং ক্ষমতায় যে সরকার থাকবে, সে সরকারের সক্ষতা রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু শিক্ষার্থীরা আমাকে চাচ্ছেন না, তাই আমার কারণে যেন ফের আন্দোলন না হয় সেই কারণেই আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ আমিনুল হক কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।