বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৫৮
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলছেনে, ‌শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য মুজাহিদসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের অবদানের কথা স্মরণ করে বুধবার (২০ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন জামায়াত আমির।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ইসলামী আন্দোলনের এক আপসহীন নেতা ছিলেন। দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মানবাধিকার, ভোটাধিকার এবং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তিনি যে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন তা তাকে যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় করে রাখবে।

২০০১-২০০৬ মেয়াদে তিনি ৪ দলীয় জোট সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। মন্ত্রী থাকাকালে তিনি সততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সাথে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে নজির স্থাপন করেন।

সরকার জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে জামায়াতকে নেতৃত্ব শূন্য করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে। দলীয় লোকদের দ্বারা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। যে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়, তিনি নিজেই দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। যিনি নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত, তার বিচারও ন্যায়ভ্রষ্ট। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য মুজাহিদসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের ২১ নভেম্বর রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। শহীদ আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের রক্তের বিনিময়ে একদিন এ দেশে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। জাতি গভীরভাবে আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের শূন্যতা উপলব্ধি করছে। মুজাহিদ মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

মহান রাব্বুল আলামীন আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের শাহাদাত কবুল করে তাকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করুন। তার অসমাপ্ত কাজ আঞ্জাম দেয়ার জন্য আমি জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তির প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি ও দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।