শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:২৩
শিরোনাম :
সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয়

মা কে জামায়াতের রুকন অপবাদ দিয়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেন তুরিন

ডেস্ক রিপোর্ট ।। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তার মা সামসুন নাহার তাসলিম।

তিনি বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক না থাকলেও তুরিন আফরোজ প্রতিনিয়ত সব জায়গায় আমাকে জামায়াতের রুকন বলে অপপ্রচার চালায়। এটা করে ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাকে উত্তরার বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। অনৈতিক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় সে আমার সঙ্গে এসব করতো। এখন নতুন সরকার এসেছে। ড. ইউনূসের সরকারের কাছে আবেদন আমার বাসা ফেরত দেওয়া হোক।

সোমবার সুপ্রিমকোর্টের এনেক্স ভবনের রিপোর্টার্স রুমের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তুরিনের মা সামসুন নাহার তাসলিম এ অভিযোগ করেন।

তুরিন আফরোজের মা বলেন, এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়াই। আমি আমার দেশ ছেড়ে এ বয়সে কেন বিদেশে পড়ে থাকব? এ দেশ আমার জন্মস্থান, আমার ৫০ বছরের সংসার এখানে। আমি তো এখানেই থাকতে চাই। আমি আমার সংসারে ফিরে যেতে চাই। আমার স্বামী মারা যাওয়ার ১৮ দিন পর আমাকে বাসা থেকে বের করে দেয় তুরিন। আমার দোষ তার কিছু আচরণের প্রতিবাদ করা। যেমন ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে সবসময় ভাড়ার টাকা আমিই নিতাম। আমার স্বামী অবসরে যাওয়ার পর থেকে বাড়ি ভাড়ার টাকায় আমাদের সংসার ও ওষুধের খরচ চলত। ওর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তুরিন বাসা ভাড়ার টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

তিনি বলেন, অপরিচিত লোকদের রাত-বিরাতে ঘরে প্রবেশ করানো নিয়ে দারোয়ান ও ভাড়াটিয়ারা অভিযোগ করলে তুরিনের সঙ্গে প্রায়ই আমার ঝগড়া লাগত। এসব বিষয়ে নিষেধ করলে ডিজিএফআই, র্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম করে সে ভয় দেখাত। বলত ‘ওরা সবাই তার বন্ধু।’ কোনো কিছু বললেই ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করানোর ভয় দেখাত।