বৃহস্পতিবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৩৯
শিরোনাম :
তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: ইরান গৌরনদীতে একসাথে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলাঃ দুই সাংবাদিককে আসামী করায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্বেগ সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ

অনন্য উচ্চতায় মানুষ গড়ার কারিগর ‘মাওলানা আবদুল জব্বার’

ডেস্ক রিপোর্ট ।। সমাজে এমন কিছু নিভৃতচারী মানুষ থাকেন, যারা নিজের জীবনকে মোমবাতির মতো জ্বালিয়ে অন্যের পথকে আলোকিত করেন এবং ক্ষমতার মোহ ছেড়ে মানুষের চোখের জল মুছতেই জীবনের পরম সার্থকতা খুঁজে পান। মানুষ গড়ার কারিগর (শিক্ষক) মাওলানা আবদুল জব্বার তেমনই এক বিরল ও আদর্শিক ব্যক্তিত্ব। একজন প্রজ্ঞাবান কলেজ শিক্ষক, বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর হিসেবে তিনি আজ লক্ষ লক্ষ মানুষের আস্থার শেষ ঠিকানা।

আবদুল জব্বারের জীবনের একটি বড় অধ্যায় অতিবাহিত করছেন কলেজের শ্রেণিকক্ষে। তিনি বরিশাল শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগে অধ্যাপনা পেশায় নিয়োজিত আছেন দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক সময় ধরে। যেখানে শিক্ষকতাকে তিনি কেবল পেশা নয়, বরং ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ক্লাসরুমে পাঠ্যবইয়ের আলোচনার সমান্তরালে তিনি শিক্ষার্থীদের শিখিয়েছেন নৈতিকতা, সততা ও দেশপ্রেমের পরম পাঠ। তাঁর অমায়িক ব্যবহার এবং ছাত্রদের যেকোনো সংকটে বটবৃক্ষের মতো পাশে দাঁড়ানোর গুণটি তাঁকে জেলার শিক্ষাঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তাঁর হাতে গড়া হাজারো ছাত্র আজ দেশ-বিদেশে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরই আদর্শের জানান দিচ্ছে।

আবদুল জব্বারের কাছে সমাজসেবা কোনো লৌকিকতা বা প্রচারণার মাধ্যম নয়; বরং এটি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক সুবর্ণ সুযোগ। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ যেন আর্তমানবতার জয়গান গায়। হাড়কাঁপানো শীতের রাতে যখন মানুষ উষ্ণতার খোঁজে ঘরে থাকে, তখন তিনি কম্বল হাতে বেরিয়ে পড়েন ছিন্নমূল মানুষের সন্ধানে। করোনাকালীন মহাসংকটে বা ভয়াবহ বন্যার সময় যখন আপনজন পর হয়ে যাচ্ছিল, তখন তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরে ঘরে খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দিয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
অসুস্থ-অসহায় মানুষের সেবায় অবিরাম ছুটে চলা একজন নির্ভীক সমাজসেবক তিনি। শত ব্যস্ততার মধ্যেও অসুস্থ মানুষের সেবায় ছুটে যান বিভিন্ন হাসপাতাল-ক্লিনিক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বাড়িতে বাড়িতে। তার নির্বাচনী এলাকার বরিশাল-৪ (হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, কাজীরহাট) এর সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের জন্য এতিমখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে তিনি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। গৃহহীনদের বাসস্থান তৈরী করে দেওয়া কিংবা দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়ের খরচ সবখানেই পরম স্বজনের মতো হাজির থাকেন এই সাদা মনের মানুষটি।

একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দলের জেলা আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী। তিনি রাজনীতিকে কেবল জনগণের অধিকার আদায়ের হাতিয়ার হিসেবেই দেখেন না। রাজনীতি প্রতিহিংসার নয়, বরং ভ্রাতৃত্ব ও সহনশীলতায় তিনি বিশ্বাসী। রাজনৈতিক সংকটময় মুহূর্তে তাঁর অটল বিশ্বাস ও সাহসী নেতৃত্ব নেতা-কর্মীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

বিগত ফ্যাসিষ্ট হাসিনার আমলে জেল-জুলম নির্যাতনের শিকার কর্মীদের তিনি আগলে রেখেছেন পরম মমতায়। দুর্নীতির এই যুগে তিনি এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। যাঁর আমানতদারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে বিরোধী মতের মানুষেরও কোনো সংশয় নেই। তিনি প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা থাকলে একই সাথে আদর্শ শিক্ষক, সফল রাজনীতিবিদ এবং বড় হৃদয়ের সমাজসেবক হওয়া সম্ভব। তাঁর মুখে স্নিগ্ধ হাসি আর অন্তরে মানুষের জন্য অফুরন্ত মমতা তাঁকে সাধারণের মাঝে অনন্য করে তুলেছে।

আমাদের এই অবক্ষয়িত সমাজে তাঁর মতো নিঃস্বার্থ নেতার উপস্থিতি কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং সকল জনগনের জন্য এক পরম আশীর্বাদ। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই মহান ব্যক্তিকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে অবহেলিত মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট-কে উন্নয়নের সোপানে নিয়ে যওয়ার প্রত্যাশা তার সমর্থক ও শুভ্যানুধায়ীদের।