শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:৪৩
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

মোবাইল হারানোর জিডি ঘিরে এএসআই মনিরকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত এএসআই মনির হোসেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, মো. মহিম নামের এক ব্যক্তি মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ওই জিডির তদন্তের দায়িত্ব পান এএসআই মনির হোসেন। তবে তদন্তকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে অর্থ দাবির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য প্রচার করা হয় বলে দাবি করেছেন এএসআই মনির।

এএসআই মনির হোসেন বলেন, মোবাইল হারানোর ঘটনায় করা জিডির তদন্ত আমি দায়িত্ব অনুযায়ী করেছি। তদন্তের সময় কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা দাবি বা গ্রহণ করা হয়নি।

আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সত্য নয়।

এদিকে একই মোবাইল হারানোর ঘটনায় তুর্য্য নামের আরেক ব্যক্তি কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি জিডি করেছিলেন বলে জানা গেছে। ওই জিডিতে তিনি হারানো মোবাইলটি নিজের বলে দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে তুর্য্যের এক বন্ধুর বক্তব্যও পাওয়া গেছে।

তুর্য্যের ওই বন্ধু জানান, মোবাইল ফোনটি নিয়ে এর আগে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলেও কাউনিয়া থানায় বসে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে।

তার দাবি, মো. মহিম ও তুর্য্য পরস্পরের বন্ধু। এ অবস্থায় একই বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করার কারণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং এটি হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, মোবাইলটি তুর্য্যের। এএসআই মনির ভাই একজন ভালো মানুষ। তিনি কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ দাবি করেননি।

এএসআই মনির হোসেনের সহকর্মীদের ভাষ্য, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।