ডেস্ক রিপোর্ট ।। জীবনে বেঁচে থাকার জন্য বেঁধে দিলেন ঘর সংসার-পিতা-মাতা হারা লামিয়া আক্তারের পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই। জীবনের কঠিন সময়ে সমাজসেবা পরিবারই হয়ে উঠেছিল তার আপনজন ও অভিভাবক। সেই লামিয়ার জীবনে আজ শুরু হলো নতুন অধ্যায়।
অটোচালক সেলিম গাজীর সঙ্গে লামিয়া আক্তারের বিয়েকে ঘিরে বরিশালের সুরক্ষা বঞ্চিত মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিণত হয় আনন্দের এক আপন ঠিকানায়। সাজসজ্জা, অতিথিদের উপস্থিতি ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
লামিয়ার বিশেষ দিনে উপস্থিত থেকে নবদম্পতিকে আশীর্বাদ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মামুন খন্দকার, পুলিশ সুপার এ. জেড.এম. মোস্তাফিজুর রহমান, বিভাগীয় পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকসহ সম্মানিত অতিথিরা।
বিয়ের আয়োজনে অতিথিদের জন্য ছিল পোলাও, রোস্ট, গরুর মাংস, সবজি, মুগডাল, মিষ্টি ও কোমল পানীয়। এ সময় লামিয়া ও সেলিমের বিয়েতে দুই লাখ টাকা কাবিন নির্ধারণ করা হয়।
লামিয়ার জীবনে আপনজনের অভাব থাকলেও তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে সমাজসেবা পরিবার। আয়োজনে অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সমাজসেবা শুধু দায়িত্ব পালনের বিষয় নয়—কখনো কখনো এটি অসহায় মানুষের জন্য একটি পরিবারের নাম হয়ে ওঠে।
নবদম্পতি লামিয়া আক্তার ও সেলিম গাজীর নতুন জীবনের জন্য রইল শুভকামনা।