শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৪৯
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

আফগানিস্তানে ১২ কিমি পথ পাড়ি দিয়ে মেয়েদের স্কুলে নিয়ে যান বাবা

অনলাইন ডেস্ক  দিনমজুরের কাজ করলেও মেয়েদের পড়াশোনার ব্যাপারে সজাগ তিনি। তাই রোজ বাইকে চড়ে ১২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মেয়েদের স্কুলে নিয়ে যান।

আর এ খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন আফিগানিস্তানের শারানা এলাকার বাসিন্দা মিয়া খান।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের পাকটিকা প্রদেশের শারানা অঞ্চল। পাকিস্তান সীমান্ত থেকে খুব বেশি দূর না। এলাকার মেয়েদের স্কুলে যাওয়া খুব একটা হয় না।

কিন্তু লেখাপড়ার গুরুত্ব বোঝেন পেশায় দিন মজুর মিয়া খান। কিন্তু বাড়ির কাছে নেই স্কুল। বাড়ি থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে স্কুল খুলেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

সেখানেই রোজ মেয়েদের নিয়ে যান তিনি। মেয়েদের পড়াশোনা শেষ না হওয়া অবধি অপেক্ষা করেন বাইরে। তার পর বাড়ি নিয়ে আসেন মেয়েদের।

এই ঘটনার কথা নিজেদের ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করেছে সুইডিশ কমিটি ফর আফগানিস্তান। তার পরই মিয়া খানকে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা।

যে এলাকায় মিয়া থাকেন, সেখানে কোনো নারী চিকিৎসক নেই। সে জন্যই মেয়েদের লেখাপড়া শেখাতে চান তিনি।

মিয়া বলেছেন আমি নিরক্ষর। দিনমজুরের কাজ করে দিন কাটায়। কিন্তু মেয়েদের পড়াশোনা করানো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমাদের এলাকায় কোনো নারী চিকিৎসক নেই।’ ছেলেদের মতোই মেয়েদেরও পড়াতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।