শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৩৮
শিরোনাম :
সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল! হামলা হলে ৭ দেশের এআই ও তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা ১৩৫ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী বঙ্গবন্ধুর ম‍্যুরালে ফুল না দেয়া ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে বলি বিআরটিসির কর্মকর্তা নূর-ই-আলম বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে মায়েদের মিলনমেলা, ‘মাদার্স মোমেন্ট’ অনুষ্ঠিত বিএম কলেজের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি লাকসামে ঢাকাগামী কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিআরটিসি’র স্পেশাল বাস সার্ভিস,প্রশংসিত ম্যানেজার জুলফিকার! প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

ঝালকাঠিতে সিরিজ বোমা হামলা,২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঝালকাঠি প্রতিনিধি  ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা ঘটনায় ঝালকাঠির দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক এসকে.এম. তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ঝালকাঠি শহরের বিকনা এলাকার ইউনুচ মল্লিকের ছেলে জিয়াউর রহমান ও রাজাপুর উপজেলার কেওতা গ্রামের মৃত মোশারফ হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদার।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোস্তাফিজুর রহমান মনু জনান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বেলা ১১টা ৩০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের অন্যান্য স্থানের মত ঝালকাঠি শহরের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঝালকাঠি সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানায় বোমা বিস্ফোরণের একটি মামলার আসামি আবু সোলায়মান সুজনের জবানবন্দিতে জিয়াউর রহমানের নাম প্রকাশ পায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের একটি জঙ্গী সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা হামলা চালায়। এতে দু’জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হন।

ঘটনার পরপরই সারা দেশে ১৫৯টি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি।

এর মধ্যে মধ্যে ১৪২টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়।

এসব মামলায় ১৩০ জন এজাহারনামীয় আসামি ছিল। গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯৬১ জনকে। অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে। এসব মামলায় ৩২২টি জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। এর মধ্যে ফাঁসির দণ্ড হয়েছে ১৫ জনের। খালাস পেয়েছে ৩৫৮ জন আর জামিনে রয়েছে ১৩৩ জন আসামি।