রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৩০
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

মাদারীপুর লকডাউন, অপ্রয়োজনে বের হলেই শাস্তি

ডেক্সরিপোর্ট  মাদারীপুরের শিবচর, রাজৈর ও কালকিনি উপজেলা লকডাউনের পর এবার মাদারীপুর জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এই লকডাউন বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে, আওতামুক্ত থাকবে জরুরি সেবা। ওষুধের ফার্মেসী ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ১২টার পর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানও বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। জরুরি সভায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় এর আগে গত ১৯ মার্চ শিবচর উপজেলায় ঘোষণা করা হয় লকডাউন। পরে ১৩ এপ্রিল লকডাউন ঘোষণা করা হয় কালকিনি ও রাজৈর উপজেলা। এ থেকেই তিনটি উপজেলায় বন্ধ রাখা হয় সব ধরনের গণপরিবহন ও জনসমাগম। একই সঙ্গে প্রবেশ ও বাহির পথ আটকিয়ে দেয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ায় জনমনে বিরাজ করছে আতঙ্ক। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় লকডাউনের সিদ্ধান্ত।

এদিকে, মাদারীপুর জেলায় করোনা ভাইরাসে মোট ২৩ জন আক্রান্তের খবর জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। এর মধ্যে শিবচর উপজেলায় ১৫ জন, সদরের সংখ্যা ৫, কালকিনি ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং রাজৈর উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ জন। প্রতিনিয়ত এই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেই জেল-জরিমানার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ রোগের উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়।