রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:১৭
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি!

এজি লাভলু  কুড়িগ্রাম জেলায় ২৬ মে (মঙ্গলবার) রাত থেকে ব্যাপক হারে শিলাবৃষ্টি হচ্ছে। শিলাবৃষ্টির কারণে জেলার অনেক জায়গায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

ফসলের মধ্যে ধান, পাট, ভুট্টাসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজিও রয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী, নাগেশ্বরী, রাজারহাট ও ফুলবাড়ি উপজেলায় ব্যাপক ফসল ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় এসব অঞ্চলের কৃষকরা। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, শিলাবৃষ্টির কারণে সবজিসহ ধান ও পাট ফসলের কিছুটা ক্ষতি হচ্ছে।

ফুলবাড়ীর কৃষক কার্তিক চন্দ্র জানান, তার ৩ বিঘা জমির পাকা ধান জমির মাটিতে পরে নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টির পূর্বে যারা ধান কেটেছেন তারা আবার টানা বৃষ্টির কারণে উঠানে ধান শুকাতে পারছেন না। যার ফলে ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন এসব ধানচাষীরা।

টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম জেলা সদরের অনেক সবজি বাগানও নষ্ট হয়েছে। সদরের চর কুড়িগ্রাম, কাঁঠালবাড়ি, দাশেরহাট এসব এলাকায় দেখা যায়, বৃষ্টির কারণে মরিচ, ঢেরস, পাটশাক, করলাসহ অনেক সবজির বাগান নষ্ট হয়েছে।

গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে জেলার ১৬ টি নদ-নদীর পানি কিছুটা বেড়ে গেছে। যার ফলে অনেক জায়গায় পানি বাড়ার কারণে নদী ভাঙন দেখা গেছে। নদী ভাঙার কারণে সদরের যাত্রাপুরের জন ঘনশ্যাম এর অনেক মানুষের ভিটেমাটি নদীতে বিলীন হয়েছে।

উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নেও দেখা গেছে এরকম চিত্র। এ উপজেলার চলতি ভাঙনে নদীগর্ভে ভিটেবাড়ি হারান মো: রুহুল আমীন। তিনি বলেন, “আমার বাড়ি থেকে নদী অনেক দুরে ছিলো। গতিপথ পরিবর্তন হয়ে আমার সবকিছু ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। এখন আমি বাঁধের পাশে বাড়ি করেছি। কিন্তু এখানেও নদী আসতে পারে। আমার প্রতিবেশী আইযুব আলী, রফিকুল সহ অনেকের অবস্থা প্রায় একই”।

নদী ভাঙার এই অবস্থা এখনি যদি রোধ করা না যায় তাহলে ব্যাপক ক্ষতি হবার আশংকা আছে বলে মনে করেন এসব অঞ্চলের মানুষ।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় অবস্থিত কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিস থেকে জানা যায়, গত ২০ মে রাত থেকে ২৭ মে পর্যন্ত জেলায় বৃষ্টিপাত এর গড় ছিলো ৩০ দশমিক ৯৭ মিলিমিটার। বৃষ্টির সাথে ছিল ঝড়ো হাওয়া। সব থেকে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে জেলার নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, গত সপ্তাহের ঘুর্নিঝড় আম্পানের পর থেকে কৃষিতে জেলায় ক্ষতির পরিমাণ ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা।