বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৪৮
শিরোনাম :
বন্ধ হচ্ছে সংকটে থাকা ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারী পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা বরিশালে ৩ দিন ব্যাপী সাংগঠনিক উন্নয়ন ও ব্যাবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু ইসরায়েলের‘রামাত ডেভিড’বিমানঘাঁটিতে ইরানের ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা অস্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্সের বিশেষ বিধান বাতিলের দাবি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দিতে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ: কার্যালয় মোটরসাইকেলে আগুন বাকেরগঞ্জের চরাদীতে ৪ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসাপত্র প্রদান লেনদেন বন্ধ রাখলো গ্রাহকরা, বরিশাল ইসলামী ব্যাংকে এক ঘন্টা কলম বিরতি বরিশালে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা সহ ২ মাদক কারবারি আটক বরিশালে প্রত্যাশার খাল এখন কৃষকের গলার কাঁটা, কোটি টাকা গচ্ছা

পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান

ডেক্সরিপোর্ট  করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও এগিয়ে চলেছে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। আজ শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে সেতুর ২৬ ও ২৭ নম্বর পিয়ারের (খুঁটি) ওপর বসানো হয়েছে ৩০তম স্প্যান। এ নিয়ে সেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার অংশ দৃশ্যমান হয়েছে। এখন সেতুর আর ১১টি স্প্যান বসানো বাকি রয়েছে।

জানা যায় , গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে স্প্যানটিকে মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে আর ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ভাসমান ক্রেনে করে নিয়ে খুঁটির সামনে রাখা হয়। শনিবার সকাল থেকেই স্প্যানটিকে পিলারের উপর বসানো হয়েছে।

সংশোধিত সিডিউল অনুযায়ী চলতি বছরের নভেম্ভর এর মধ্যে সবকটি স্প্যান বসানোর কথা থাকলেও আগষ্টের মধ্যে বাকী স্প্যান বসানো হবে। জাজিরা প্রান্তে ৩০ ও ৩১ তম স্প্যান বসানো কাজ শেষ হলে জাজিরা প্রান্তের সব স্প্যান বসানো শেষ হবে।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের বলেন, ‘এই ৩০টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়া প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে ১০টি, মাঝে স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে একটি ও জাজিরা প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে ১৯টি। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতিতেও সেতুর চারটি স্প্যান বসানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে মূল সেতুর দুই হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ৫৯৪টি এবং দুই হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে এক হাজার ১০৫টি স্থাপন করা হয়েছে। মাওয়া ও জাজিরা ভায়াডাক্টে ৪৮৪টি সুপার টি-গার্ডারের মধ্যে ১৪৮টি স্থাপন করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হওয়া ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি দ্বিতল হবে। যার ওপর দিয়ে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে চীনের ‘সিনো হাইড্রো করপোরেশন’।