শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:২৮
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

দিল্লিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ তুঙ্গে: কেজরিওয়াল

অনলাইন ডেস্ক  দিল্লিতে বর্তমান সময়ে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ তুঙ্গে বলে মন্তব্য করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। খবর-এনডিটিভির।

বৃহস্পতিবার কেজরিওয়াল দাবি করেন, দিল্লিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে সেপ্টেম্বরের শুরুতে। তখন আচমকাই দৈনিক সংক্রমণ পৌঁছে যায় চার হাজারের ঘরে। এখন দ্বিতীয় ঢেউ শীর্ষে উঠেছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রায় ৪৫০০ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমতে থাকে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭০০ জন। ১৬ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ৪৪৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর আগে কখনও একইদিনে এতজন করোনায় আক্রান্ত হননি।

১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪২৬৩ জন। মারা গিয়েছিলেন ৩৫ জন। ১৭ সেপ্টেম্বর আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩২ জন। মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৮। ১৮ সেপ্টেম্বর আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪১২৭ জন। মৃতের সংখ্যা ৩০। ১৯ সেপ্টেম্বর আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪০৭১ জন। মৃতের সংখ্যা ৩৮।

দিল্লি প্রশাসন জানায়, টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেই আরও বেশি আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

৯ সেপ্টেম্বর প্রথম দিল্লিতে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৪ হাজার ছোঁয়। তখন শহরে মোট সংক্রমণের সংখ্যা ওঠে ২ লাখে। ভাইরাস সংক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগজনক মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি ও পাঞ্জাবে। এই সাত রাজ্যে করোনা অ্যাকটিভ কেস প্রায় ৬৩ শতাংশ। কোভিড পজিটিভ রোগীর ৬৫.৫ শতাংশই এই সাত রাজ্যে, মোট মৃত্যুর ৭৭ শতাংশও এই রাজ্যগুলো থেকেই।