রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:২৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

সরকারি গাড়িতে মাদক পরিবহন, রাজশাহী জেলা পরিষদ সিইও কারাগারে

ডেক্সরিপোর্ট  সরকারি গাড়িতে করে আমদানি নিষিদ্ধ মাদক ফেনসিডিল পরিবহনের দায়ে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নুরুজ্জামান ও তার কথিত মাদক ব্যবসায়ী বন্ধু ওহিদুজ্জামান লাজুকের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। শনিবার বিকেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরুল্লাহ কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা নুরুজ্জামানকে থানায় না নিতে দিনভর চেষ্টা তদবির চালালেও মামলা শেষে তাকে কারাগারে যেতেই হলো।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজশাহীর একটি সরকারি গাড়িতে ফেনসিডিল বহন করা হচ্ছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের মহানন্দা ব্রিজের টোল প্লাজায় চেকপয়েন্ট বসায়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মো. নুরুজ্জামানকে সরকারি পাজেরো গাড়ি ড্রাইভ করা অবস্থায় ওই চেক পয়েন্টে আটক করা হয়। ওই সময় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকা শিবগঞ্জ থেকে রাজশাহী ফিরছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, আটকের সময় সরকারি গাড়িতে চালকের পাশের সিটে বসেছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আব্বাস বাজার গ্রামের ওহিদুজ্জামান লাজুক (৩৮)। তিনি পেশায় ওষুধের দোকানের কর্মচারী। তার পায়ের কাছে কোমল পানীয়র পাঁচটি বড় বোতলে ৬ দশমিক ৮ লিটার ফেনসিডিল ছিল। নুরুজ্জামান নিজেকে সরকারের উপসচিব এবং লাজুককে তার বন্ধু হিসেবে পরিচয় দেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লাজুক কোনো ওষুধের দোকানের কর্মচারীও নন। তিনি একজন মাদক চোরাকারবারি। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মাদকসেবীদের বাসায় তিনি মাদকদ্রব্য সরবরাহ করতেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন, মো. নুরুজ্জামানের সরকারি গাড়িতে করে ফেনসিডিল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এসময় নুরুজ্জামান ওই গাড়ি ড্রাইভ করছিলেন। আটকের পর তিনি নিজেকে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন।

রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, রাতে টেলিভিশনে মো. নুরুজ্জামানকে আটকের খবর দেখেছি। এরচেয়ে বেশি কিছু আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে কেউ আমাকে কিছু জানাননি।