বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:৫৬
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

ব্রিটিশ রাজপরিবারে বর্ণবিদ্বেষ, অবাক হননি মিশেল ওবামা

অনলাইন ডেস্ক  সম্প্রতি ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ তুলেছেন রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে পুরো বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। এমন অবস্থার মধ্যেই এবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা বলেছেন, মেগানের কাছ থেকে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ শুনে তিনি মোটেও অবাক হননি।

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিভিন্ন বর্ণের মানুষের জন্য এই পৃথিবীতে বর্ণবাদ নতুন কোনো ঘটনা নয়। সুতরাং তার (মেগান মার্কেল) কাছ থেকে এমন অনুভূতি শুনে বিস্মিত হইনি।

আমি যে জিনিসটির জন্য প্রত্যাশা করি এবং যে বিষয়টি সম্পর্কে চিন্তা করি তা হলো তারা (ব্রিটিশ রাজপরিবার) বিশ্বের প্রধানতম একটি পরিবার। তাই আমি তাদের জন্য ক্ষমা ও সমস্যাটি সমাধানের প্রার্থনা করছি। যেন তারা এ ঘটনাকে আমাদের সকলের জন্য শিক্ষণীয় মুহূর্ত হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে, যোগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই ফাস্ট লেডি।

এর আগে গত ৭ মার্চ প্রচারিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা অপরাহ উইনফ্রের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মেগান মার্কেল অভিযোগ তোলেন, তার সন্তানের শরীরের ত্বক ঠিক কতোটা কালো হবে, তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যরা। একইসঙ্গে রাজপরিবারের সদস্যরা এটা নিয়ে পেছনে পেছনে কথাও বলতেন। এমনকি সন্তানের গায়ের রং কতোটা কালো হবে এটা নিয়ে স্বামী প্রিন্স হ্যারিকে পরিবারের এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিলেন।

এ ছাড়া বিয়ের পর কারো কাছ থেকে কোনো ধরনের সাহায্য বা সহযোগিতা না পেয়ে নিজের ক্ষতি করার, এমনকি আত্মহত্যা করার কথাও তিনি চিন্তা করতে শুরু করেছিলেন বলে জানান ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই পুত্রবধূ।