সোমবার, ২রা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৩১
শিরোনাম :
সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী বরিশাল বোর্ডে ১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল,পাশের হার কমে ৪৪.৮৪ শতাংশ বরিশালে বি.এন.খান কলেজের নাম ব্যবহার করে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেরেবাংলা সম্মাননা পেলেন কথা সাহিত্যিক মামুন-অর-রশিদ

ভোলায় রোজার আগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য উর্ধ্বগতি

ভোলা প্রতিনিধি  কয়েকদিন পরই রোজা, শুরু হতে এখনো প্রায় ২০/২৫ বাকি। এখনই রোজার উত্তাপ বাড়তে শুরু করছে নিত্যপণ্যের বাজারে দাম। একদিকে করোনায় কর্মসংকোচন, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেশি। দিন দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

শুক্রবার(১৯ মার্চ) সকালে কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যে দাম বাড়াচ্ছে। তাই আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও সক্রিয় কিছু অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী। রোজা সামনে রেখে তারা এখন থেকেই রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে। সব মিলিয়ে নি¤œ আয়ের মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।

বিভিন্ন বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয় ৭০ টাকা। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয় ৭৫ টাকা।

প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয় ৬০ টাকা, যা দুমাস আগেও ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি মুগডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকা। আর গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা। এছাড়া হলুদের দামও বেড়েছে।

এ ছাড়া গুঁড়া দুধের মধ্যে ফ্রেশ বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৫৫০ টাকা।

মাসখানেক ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম রেড়েই চলছে। বিশেষ করে রোজায় যে সমস্ত পণ্যের বাড়তি চাহিদা রয়েছে সেসব পণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে।

এদিকে, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলেন, ‘রমজানের সময় পণ্যের দাম নিয়ে যাতে সাধারন মানুষ সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য প্রস্তুতি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি করা হচ্ছে। এবার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।