শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:০৪
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

উপকূলের মানুষের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে, জুলাইয়ে খুলে দেওয়া হবে পায়রা সেতু

ডেস্ক রিপোর্ট  পটুয়াখালী জেলার দুমকিতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফোরলেনের পায়রা সেতুতে যানবাহন চলাচলের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। আনুষঙ্গিক অন্যান্য নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে চলতি ২০২১ সালের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ১৮ মার্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের (টোল অধিশাখা) উপসচিব ফাহমিদা হক খান স্বাক্ষরিত এক গেজেটে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এদিকে দুইটি অ্যাবাটমেন্ট ও ৩১টি পিয়ারের সেতুটির প্রায় ৯৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে দু’পরের স্প্যানের জোড়া মিলে স্বপ্নের সেতুটি এখন দৃশ্যমান।

প্রকাশিত গেজেট সূত্রে জানা যায়, পায়রা সেতুতে ট্রেইলার ৯৪০ টাকা, হেভি ট্রাক ৭৫০, মিডিয়াম ট্রাক ৩৭৫, বড় বাস ৩৪০, মিনি ট্রাক ২৮০ টাকা, কৃষিকাজে ব্যবহৃত যান ২২৫, মিনিবাস-কোস্টার ১৯০, মাইক্রোবাস ১৫০, ফোর হুইলচালিত যানবাহন ১৫০, সেডান কার ৯৫, ৩-৪ চাকার যান ৪০ টাকা, মোটরসাইকেল ২০, রিকশা, ভ্যান, সাইকেল, ঠেলাগাড়ি ১০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।

পায়রা সেতুর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুল হালিম জানান, বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের ৩৯ কিলোমিটারে পায়রা নদীর ওপর ‘লেবুখালী সেতু’ নির্মাণের মধ্য দিয়ে উপকূলের ৫০ লাখ মানুষের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।

ইতোমধ্যে ৩১টি পিয়ারের সেতুটির দুই পাড়ের স্প্যানের জোড়া মিলে সম্পূর্ণ সেতুটি এখন দৃশ্যমান হয়েছে। দ্রুত বাকি কাজ সম্পন্ন করে চলতি ২০২১ সালের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

সেতুটি যান চলাচলে উন্মুক্ত হলে পটুয়াখালী-বরগুনা জেলাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে।