বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৫৬
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

তৃণমূলে ফিরেই ‘খেলা শুরু’ মুকুল রায়ের

অনলাইন ডেস্ক  ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েই ‘কাজ’ শুরু করে দিলেন। ফোন করলেন একাধিক বিজেপি বিধায়ককে। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিলেন তাদের।

প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও ওই বিধায়কদের অনেকেই তাদের ঘনিষ্ঠ মহলে ওই ফোনের কথা জানিয়েছেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

বিজেপি নেতারাও মুকুলের এই ফোনের কথা জানতে পেরেছেন। বিজেপি নেতা সচেতক মনোজ টিগ্গা জানিয়েছেন, মুকুলের ফোন সম্পর্কে তারা জানতে পেরেছেন। এ ব্যাপারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা করার করবেন।

রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ ব্যাপারে বলেন, তার অনেক পূর্ব পরিচিত নেতা আছেন। তাদের উনি ফোন করতেই পারেন।

কারা থাকবেন, কারা যাবেন, তা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আয়ারাম-গয়ারামদের নিয়ে বিজেপি চলে না। বিজেপির যে ঝড় হয়েছিল তাতে অনেক ধুলোবালি দেবতার মাথায় এসে পড়ে। এবার সেগুলো নর্দমায় যাওয়ার সময় হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে পুত্র শুভ্রাংশুকে নিয়ে মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দেন। এর পর রাতে বাড়ি ফিরেই বিজেপিতে থাকা তার ঘনিষ্ঠ বিধায়কদের ফোন করা শুরু করেন তিনি। শনিবার সকালেও বেশ কয়েকজন বিধায়ককে ফোন করে বিজেপির সদ্য সাবেক সর্বভারতীয় সহসভাপতি। সব মিলিয়ে অন্তত ১০ জন বিজেপি বিধায়ককে ফোন করেছেন তিনি।

শাসক দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল, যেখানেই তার ঘনিষ্ঠ বিজেপি বিধায়ক রয়েছেন, তাকেই ‘বাজিয়ে’ দেখেছেন মুকুল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জঙ্গলমহলের এক বিধায়ক সে কথা স্বীকারও করেছেন। তিনি বলেন, মুকুলদা আমাকে ফোন করেছিলেন। কী কথা হয়েছে, তা আমি প্রকাশ্যে বলতে চাই না। তবে আমার জবাব আমি তাকে জানিয়ে দিয়েছি। মুকুলদা যে আমাদের ফোন করে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা আমরা দল ও শুভেন্দু অধিকারীকে জানিয়ে দিয়েছি।

ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কেও ফোন করেছিলেন মুকুল। তাকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন। যদিও এই ফোন-পর্বের কথা মানতে চাননি শিখা। তার কথায়, আমাকে মুকুলদা ফোন করে কোনো প্রস্তাব দেননি। মুকুলদার জন্য রাজনীতিতে এতদূর আসতে পেরেছি, এটি ঠিকই, কিন্তু তিনি দলবদল করলেও আমি বিজেপি ছাড়ব না।

এ ব্যাপারে মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ বলেন, মুকুল রায় যে আমাদের কয়েকজন বিধায়ককে ফোন করেছেন, সে কথা আমরা জানতে পেরেছি। এ বিষযে যা করার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী করবেন।