বৃহস্পতিবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৫৭
শিরোনাম :
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

বরিশালে দুই শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা পরিচালক গ্রেফতার

শামীম আহমেদ  বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে দেড় বছর ধরে দুই শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা পরিচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে রেদওয়ানুল করিম (৪২) নামের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার (১৬ জুন) বিকেল তিনটায় বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন। তিনি জানান, ঘটনা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তার হাতে কতজন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন মিলন জানিয়েছেন, বলাৎকারের অভিযোগ এনে এক শিশুর বাবা মঙ্গলবার থানায় অভিযোগ করেন। মামলা নং ১২। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত মাদরাসার পরিচালককে গ্রেফতার করা হয়। রেদওয়ানুল করিম পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাদ্রিশিবপুর কানকি গ্রামের মদিনাতুল উলুম কারিমিয়া মাদরাসার পরিচালক। তিনি ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

জানা গেছে, মদিনাতুল উলুম কারিমিয়া মাদরাসার হেফজখানায় প্রায় অর্ধশত শিশু পবিত্র কোরআন শিক্ষা করে থাকে। এখানে থাকা দুজন শিশুকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করে আসছিলেন রেদওয়ানুল করিম।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিষয়টি জানতে চাই। তখন ছেলে ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি নিয়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা আমাকে হুমকি দেয়। তিনি আরও বলেন, আমার ছেলেকে এখন বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।

আরেক অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে হেফজখানায় দিয়েছি দেড় বছর হয়েছে। এত দিন ধরেই নাকি অপকর্ম করে আসছিল রেদোয়ান করিম। তবে শুক্রবার (১১ জুন) রাতেও একই কাজ করে সে। এতে একটি শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপরই মূলত আমরা জানতে পারি। এই অভিভাবক বলেন, আমি বলাৎকারকারী মাদ্রাসা পরিচালকের ফাঁসি চাই।