শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:১৮
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

ঝালকাঠিতে ষাটোর্ধ বিধবা জবেদার ঘরে খাদ্র সামগ্রী নিয়ে ইউএনও সাবেকুন্নাহার

ইমাম বিমান,ঝালকাঠি  ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন উদচড়া গ্রামের মৃত নেছার উদ্দীনের স্ত্রী ষাটোর্ধ বয়সি অসহায় জবেদা খাতুনের পাশে দাড়ালেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার। মানুষের কাছে হাত পেতে সামন্য কিছু অর্থ সংগ্রহ করে প্রতিদিন নিজের পেট চালাতেন। বর্তমানে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনে ঘরের বাহিরে বের হতে না পেরে খাদ্য সংকটে ছিলেন বিধবা জবেদা খাতুন । শুধু খাদ্য সংকটই নয় মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের মত অধিকাংশ চাহিদা থেকেই বঞ্চিত এই বিধবা বৃদ্ধা নারী।

গত ৮জুলাই স্থানীয় সাংবাদিক মো: ইমাম হোসেনের মাধ্যমে জবেদা খাতুনের অসহায় জীবন-যাপনের বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলে আজ ১০জুলাই সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার খাদ্য সামগ্রী নিয়ে জবেদা খাতুনের বাড়ি উপস্থিত হয়ে তাকে খাদ্য সহায়তা করেন। একই সাথে জবেদা খাতুনের জড়াজীর্ন ভাঙ্গা ঘর পরির্দশন পূর্বক তাকে সরকারি ঘর এবং ব্যক্তিগত ভাবে নিজ খরচে জবেদা খাতুনের চোখের চিকিৎসা করাবেন বলে আশ্বাষ দেন।

এ বিষয় ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার জানান, ৮ জুলাই বৃদ্ধার মুঠোফোন থেকে আমার ফোনে একটি কল আসে। আমি ফোন রিসিভ করতেই বৃদ্ধা আমার কাছে খাদ্য সহায়তা চান । আমি বিষয়টি আমলে নিয়ে আজ খাদ্য নিয়ে আমি নিজে তার বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী তার হাতে তুলে দেই। এ সময় তিনি তার ঘরের কথা এবং তার চোখে দেখতে সমস্যা হয় বলে জানালে তাকে একটি নতুন ঘর ও একই সাথে তার চোখের চিকিৎসার জন্য আমার পক্ষ থেকে ব্যক্তিভাবে সহায়তা করা হবে।