শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:৩৯
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

২৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বদরগঞ্জের ইউএনও

ডেস্করিপোর্ট  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি নির্মাণের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রশংসা করা হচ্ছে। দায়িত্ববোধ ও স্বচ্ছতার জন্য তাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন সবাই।

জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বদরগঞ্জ উপজেলায় ২৯৬ জন ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতক জমিসহ বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রথম পর্যায়ে প্রত্যেক বাড়ি নির্মাণের জন্য ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৮৬টি বাড়ির বরাদ্দ পান ইউএনও মেহেদী হাসান। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে আরও ১০টি বাড়ি নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ পান।

এ ছাড়া জায়গা আছে ঘর নেই- এমন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের জন্য ৩০টি বাড়ি এবং ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ৮টি পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণে বরাদ্দ পান।

সব মিলে বাড়ি নির্মাণে বদরগঞ্জে ৫ কোটি ৭৩ লাখ ১৪ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয় সরকার। কিন্তু বাড়িগুলো নির্মাণের পর উদ্বৃত্ত থেকে যায় ২৫ লাখ টাকা। জুন মাসে হিসাব ক্লোজিংয়ের সময় সেই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেন ইউএনও মেহেদী হাসান।

ইউএনও মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, বাড়ি নির্মাণে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছিল। কাজ শুরু করার আগে কমিটির সদস্যদের নিয়ে বসেছিলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, বাড়ি নির্মাণ করে টাকা বেঁচে যায়, তাহলে সেই টাকা সরকারকে ফেরত দেব।