বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:৫৮
শিরোনাম :
বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে মায়েদের মিলনমেলা, ‘মাদার্স মোমেন্ট’ অনুষ্ঠিত বিএম কলেজের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি লাকসামে ঢাকাগামী কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিআরটিসি’র স্পেশাল বাস সার্ভিস,প্রশংসিত ম্যানেজার জুলফিকার! প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন স্বৈরাচার অর্থ সরবরাহ করছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী ভাটারায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদক-নারীসহ আটক ৮৪ নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু বিএম কলেজের বাস ও হোস্টেল সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন স্পিকার

বরিশালে কলেজছাত্র হত্যা মামলায় ২ জনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন

শামীম আহমেদ  বরিশালে কলেজছাত্র সোহাগ সেরনিয়াবাতকে হত্যার সাত বছর পর মামলার দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। অপরাধ প্রমাণ না হওয়ায় ১০ জনকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

বরিশালের জননিরাপত্তা বিঘœকারী অপরাধ দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক টি এম মুসা আজ (১৫ই) সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন জিয়াউল হক লালন ও রিয়াদ সরদার। আসামি মামুন, ইমরান, বিপ্লব ও ওয়াসিম সরদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী এটিএম আনিসুর রহমান ও পিপি এ্যাড, লস্কর নুরুল হক। তিনি জানান, নিহত সোহাগ ছিলেন বরিশালের উজিরপুরের পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। এলাকায় তার একটি পোশাকের দোকানও ছিল। ২০১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাতে আসামিরা উজিরপুরের রাখালতলা এলাকায় সোহাগকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এর আগে বিভিন্ন সময় সোহাগের কাছ থেকে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আসামিরা। তা না পাওয়ার সোহাগের দোকানে ভাঙচুরও চালানো হয়। এর জেরেই সোহাগকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মামা খোরশেদ আলম ১৩ জনকে আসামি করে উজিরপুর থানায় মামলা করেন। একে একে গ্রেপ্তার করা হয় আসামিদের। তদন্ত শেষে পুলিশ সে বছরের ২২ নভেম্বর অভিযোগপত্র জমা দেয়। ৩১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য এবং প্রমাণ ও আলামত বিবেচনায় বিচারক এই রায় দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী।

নিহতের বাবা ফারুক হোসেন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে যারা বেকসুর খালাস পেয়েছেন তারাও হত্যায় জড়িত ছিলেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ আদেশের কপি পেলে তা নিয়ে আমি উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা করি হত্যায় জড়িত থাকার অপরাধে উচ্চ আদালত তাদের শাস্তি দিবে।’ নিহতের মা শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘রায়ে খুশি হয়েছি। তবে খালাসপ্রাপ্ত ১০ জনের সাজা দিলে আরও ভালো হতো। তারাও আমার ছেলের হত্যায় জড়িত ছিল।’ বাদীর আইনজীবী আনিসুর রহমান বলেন, ‘অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে, যা এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।’