বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:৪৬
শিরোনাম :
বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে মায়েদের মিলনমেলা, ‘মাদার্স মোমেন্ট’ অনুষ্ঠিত বিএম কলেজের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি লাকসামে ঢাকাগামী কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিআরটিসি’র স্পেশাল বাস সার্ভিস,প্রশংসিত ম্যানেজার জুলফিকার! প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন স্বৈরাচার অর্থ সরবরাহ করছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী ভাটারায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে মাদক-নারীসহ আটক ৮৪ নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু বিএম কলেজের বাস ও হোস্টেল সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন স্পিকার

ভোলায় মসজিদের শয়ন কক্ষ থেকে ইমামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভোলা প্রতিনিধি  ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মো. আব্দুল হালিম (২৪) নামের এক ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) সকালে দৌলতখান উপজেলার হাসমত বেপারীর মসজিদের শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আব্দুল হালিম ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রপ্রসাদ গ্রামের মো. ফারুক ফরাজীর ছেলে। তিনি দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের হাসমত বেপারীর বাড়ির মসজিদের ইমাম ছিলেন। তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।

হালিমের ভগ্নিপতি রাশেদ জানান, রাত ১২টার দিকে আত্মীয়-স্বজনের মোবাইলে তার শ্যালক একটি এসএমএস বার্তা পাঠান। এসএমএস লিখা ছিল তিনি বেঁচে থাকবেন না। পরে তার মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ওই মসজিদে গিয়ে আব্দুল হালিমকে তার কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন তিনি। পরে দৌলতখান থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

সেই সাথে তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। যেটিতে লেখা রয়েছে ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। চিরকুটে মৃত্যুর পর তার লাশ ময়নাতদন্তে না দেওয়ার অনুরোধ ও তার চার মাসের সন্তানের দিকে খেয়াল রাখার কথাও লিখেছেন। তার কাছ থেকে কারা কারা টাকা পাবেন সেটিও চিরকুটে উল্লেখ করেছেন।

আব্দুল হালিম মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি দৌলতখানের চর খলিফা মাদরাসায় পড়ালেখা করতেন। তিনি গত দুই বছর আগে বিয়ে করেছেন। তার চার মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী চার মাসের সন্তান রেখে চলে যান।

এলাকা সূত্রে জানা যায়, তিনি দুটি বিয়ে করেছেন এবং এ নিয়ে প্রায়ই পরিবারে ঝগড়াঝাঁটি হতো।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে।