বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৪৫
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

কুড়িগ্রামে এখনও শুরু হয়নি আমন ধান কেনা

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি দেশব্যাপী গেলো ২০ নভেম্বর থেকে সরকারিভাবে আমন ধান কেনার ঘোষণা দেয়া হলেও এখনো কুড়িগ্রাম জেলায় তা শুরু হয়নি। এমনকি ধান কেনার জন্য কৃষি বিভাগ থেকে লটারির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি প্রান্তিক কৃষকের তালিকাও। কৃষি বিভাগ বলছে তালিকা তৈরির কাজ চলছে। অন্যদিকে, খাদ্য বিভাগের দাবি, সরকারিভাবে ধান কেনার জন্য কৃষককের তালিকা হাতে না পাওয়ায় কার্যক্রম শুরু করতে পারেননি তারা।

কুড়িগ্রাম জেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩শ ৫ হেক্টর জমিতে। বন্যার কারণে এই জেলায় একটু দেরিতে আমনের চাষ শুরু হলেও এখন চলছে ফলন উঠানো। ভরা মৌসুমে বাজারে ধানের দাম কম থাকায় কৃষকরা সরকারের কাছে একটু বেশি দামে ধান বিক্রির আশা করলেও ক্রয় কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় শংকায় রয়েছেন তারা।

তবে জেলার অনেক প্রান্তিক কৃষকদের অভিযোগ, তাদের নামে কৃষি কার্ডই নেই। আর যাদের কৃষি কার্ড আছে লটারিতে তাদের নাম উঠবে কি না তা নিয়ে দুঃচিন্তায় আছেন অনেক কৃষক। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেশিরভাগ কৃষক এখনো জানেই না সরকার কখন ও কি পদ্ধতিতে ধান কিনবে। কোথায় সেই ধান দিতে হবে। আবার অনেকেরই জানা নেই কে কিভাবে কৃষকের তালিকা করেছে এবং সেখানে তাদের নাম আছে কি না।

জেলার ৯ উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ১৩ হাজার ৭১ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজার কৃষকের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখান থেকে দু’একদিনের মধ্যে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকের নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানালেন কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হলেও জানান, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত প্রান্তিক ও অস্বচ্ছল কৃষকদের প্রত্যেকের নিকট থেকে সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ থেকে খাদ্য বিভাগে কোন কৃষকের তালিকা না পাওয়ায় ধান কেনা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।