শুক্রবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১:৪৫
শিরোনাম :
ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার

আজ রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৭৭তম জন্মদিন

ডেক্সরিপোর্ট  বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৭৭তম জন্মদিন আজ। কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনের কামালপুর গ্রামে ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন আবদুল হামিদ। তার বাবা মো. তায়েব উদ্দিন ও মা মোছা. তমিজা খাতুন।

তিনি তিন ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের বাবা। আবদুল হামিদ বাংলাদেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন তিনি।

ছোটবেলা থেকেই মো. আবদুল হামিদ সাধারণ মানুষের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করতেন। মাধ্যমিক স্কুলে পড়ার সময় তিনি ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তার প্রিয় সংগঠন ছিল ছাত্রলীগ। ১৯৫৯ সালে কিশোরগঞ্জ মহকুমা শহরে ছাত্রলীগের হাল ধরেন আবদুল হামিদ। ১৯৬১ সালে কলেজের ছাত্রাবস্থাতেই তিনি যোগ দেন স্বৈরশাসক আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে। তখন তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছিল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১৮ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ।

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ, ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ, ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ এবং সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সপ্তম সংসদে ১৯৯৬ সালের ১৩ জুলাই থেকে ২০০১ এর ১০ জুলাই পর্যন্ত ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালনের পর ২০০১ এর ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্পিকার হিসাবে সংসদ পরিচালনা করেন আবদুল হামিদ। আর নবম সংসদে নির্বাচিত হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো স্পিকার হন।

অর্ধশতকের অধিককাল ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এ মানুষটি চরম দুর্দিনেও তার আদর্শ ও বিশ্বাস থেকে বিচ্যুত হননি। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও জীবনদর্শনকে আত্মস্থ করে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আপন যোগ্যতাবলে হয়ে উঠেছেন রাজনীতির এক জীবন্ত কিংবদন্তি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি সর্বমহলে জনপ্রিয়।