ভোলা প্রতিনিধি ভোলায় সরকারী আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অভিযোগে ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে ভোলা শহরের মহাজপট্টি ও সদর রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিসেট্রট এ জরিমানা করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জিমরান মো. সায়েদ এই জরিমানা করেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে জানানো হয়, জরুরি ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতিত সবক দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসন। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী নির্দেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় তাদের জরিমানা করা হয়।
এদিকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ায় জেলার ২৩৬ জনকে ছাড়পত্র দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া নতুন ৬ জন সহ এখনো হোম কায়ারেন্টিনে রয়েছেন ১৮৯ জন।
হোম কোয়েরেন্টিনে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে সদরে ৪৬ জন, দৌলতখানে ২১ জন, বোরহানউদ্দিনে ২০ জন, লালমোহনে ১৭ জন, তজুমদ্দিনে ৪৪ জন ও মনপুরা উপজেলায় ১৬ জন। আর হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে এমন প্রবাসীদের মধ্যে সদরে ৭৬ জন, দৌলতখানে ২৮ জন, বোরহানউদ্দিনে ২৭ জন, লালমোহনে ২৭ জন, চরফ্যাশনে ৩৬ জন, তজুমদ্দিনে ২৭ জন ও মনপুরা উপজেলায় ১৬ জন।
ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। জেলার সব হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য ৪১১ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে।
এদিকে দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভোলায় সাবান বিতরণ ও স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া কার্যক্রম করছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে নৌ-বাহিনী ও পুলিশের টিম বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছে।
এছারা অভিযোগ রয়েছে গ্রাম অঞ্চলে অধিকাংশ এলাকায় ছোট ছোট হাট-বাজারের এখনো দোকান খোলা থাকে এবং জনসাধারনের অবাধ বিচরন রয়েছে। অনেকেই মানছে না সামাজিক দূরত্ব ও ব্যবহার করছে না মাস্ক।