রংপুর প্রতিনিধি অসংখ্য মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সকল কে কাঁদিয়ে চিরস্থায়ী ভাবে চলে গেলেন রংপুরের সুপরিচিত সকলের প্রিয় মুখ ডাক্তার মোঃ মতিয়ার রহমান।
তিনি ছিলেন অসুস্থ মানুষের বিশ্বাস আর আস্তার প্রতীক। তার দীর্ঘ সময়ের কর্মময় জীবন ছিলো মানব সেবার অন্যতম দৃষ্টান্ত।
তিনি ছিলেন সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য বিপদের সাথী। তার কর্মময় জীবন এখন সকল মানুষের কাছে স্মৃতিময় ভালোবাসার গল্প ছাড়া কিছু নয়। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় এখন শোকের ছায়া। তিনি চলতি মাসের ৭ তারিখে
রংপুর সিও বাজারে অবস্থিত তার নিজ বাড়িতে রাত ৩টার দিকে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে পরিবারের লোকজন দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার চিকিৎসা চলমান থাকে এমতাবস্থায় ১০ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে হার্টব্লক করায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উসমানপুর এলাকায়। তিনি ছাত্রজীবন থেকে রংপুরে অবস্থান করেন এবং তিনি কর্মজীবনের সাথে রংপুর সিও বাজার এলাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই শুরু হয় তার জীবন বাস্তবতার অফুরন্ত গল্প। তার সংসার জীবনে স্ত্রী, ১ পুত্র সন্তান, অসংখ্য আত্নীয় স্বজন ও গুনাগ্রহী রেখে যান তিনি । দেশের চলমান করোনা পরিস্থিতিতেও আজ বাদজুম্মা সিও বাজার পুরাতন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত তার জানাজায় অসংখ্য মানুষের উপস্থিতি ঘটে। যা ছিলো গণমানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। এছাড়াও অনেকে তার যানাজায় অংশগ্রহণ করতে না পারলেও তার জন্য অফুরন্ত দোয়া করেছেন সকলেই।
পুরাতন জামে মসজিদ কবরস্থানে তার দাফন কার্য শেষ হয়। এসময় তার দীর্ঘ জীবনের গুনকৃত্তি নিয়ে মুখোরিত ছিলো সকলের আলোচনার বহিঃপ্রকাশ। তার মৃত্যুতে অনেকেই শোকবার্তা জানিয়ে বলেন তার অকাল মৃত্যু আমাদের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে যা বলে প্রকাশ করার মতো নয়। তবে চলে যাওয়ার পৃথিবীতে তার অভাব অপূরণীয় আমরা সকলে তার জন্য দোয়া করছি তিনি যেনো জান্নাতবাসী হন। তার পরিবারের সকলের প্রতি রইলো আমাদের সমবেদনা।আমরা সকলে তার ভালোবাসায় বন্দি। শেষ কথা একটাই পরকালে তার ঠিকানা হউক জান্নাত। আল্লাহতালা তাতে ক্ষমা করে কবুল করুন।