বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:৩৮
শিরোনাম :
বন্ধ হচ্ছে সংকটে থাকা ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারী পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা বরিশালে ৩ দিন ব্যাপী সাংগঠনিক উন্নয়ন ও ব্যাবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু ইসরায়েলের‘রামাত ডেভিড’বিমানঘাঁটিতে ইরানের ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা অস্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্সের বিশেষ বিধান বাতিলের দাবি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দিতে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ: কার্যালয় মোটরসাইকেলে আগুন বাকেরগঞ্জের চরাদীতে ৪ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসাপত্র প্রদান লেনদেন বন্ধ রাখলো গ্রাহকরা, বরিশাল ইসলামী ব্যাংকে এক ঘন্টা কলম বিরতি বরিশালে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা সহ ২ মাদক কারবারি আটক বরিশালে প্রত্যাশার খাল এখন কৃষকের গলার কাঁটা, কোটি টাকা গচ্ছা

ঈদের আনন্দ নেই ভোলার উপকূলীয় এলাকার পরিবারগুলোর

কামরুজ্জামান শাহীন,ভোলা  ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দা জেলে জসিম বলেন হামাগো(আমাগো) আবার ঈদ। একদিকে মহামারী করোনা ভাইরাস আর অন্যদিকে সাইক্লোন আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ ভোলার উপকূলে দরিদ্র পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ।

কর্মহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। কেউ আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারেনি এখন। আম্ফানে বসতঘর, ফসল, পুকুরের মাছ হারিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন এসব পরিবারগুলো। সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চললেও অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তুলতে পারেনি নতুন ঘর।

বিশেষ করে ভোলার মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপচর ও বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমুল মানুষের যেন কষ্টের শেষ নেই। বিবর্ণ হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। জেলে ও দিনমজুর ছাড়াও মানতা এবং বেদে পরিবারেও চলছে অভাব-অনাটন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ সালাম হাওলাদার বলেন, ঝড়ে সম্পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ঈদ আনন্দ নেই বললেই চলে। মহামারী করোনা এবং ঝড় দুটোই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে এসব দরিদ্র পরিবারগুলোকে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে তাদের মাঝে কিছু ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

চর কুকরী-মুকরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, সাইক্লোন আম্ফান ঝড়ে চর পাতিলায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সরকারি হিসাবে, ভোলায় সাইক্লোন আম্ফানে ৩৩২টি ঘর সম্পূর্ণ ও ১ হাজার ৬ শত ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও রাস্তা-সড়ক,মাছের ঘের ও বাঁধের ৫০ কিলোমিটার এবং ৬ হাজার কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।