শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:০৬
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

হাসপাতাল থেকে পালিয়ে করোনা রোগীর আত্মহত্যা

ডেক্সরিপোর্ট  ঢাকায় করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ আক্রান্ত এক রোগীর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে তিনি আত্মহত্যা করেন। শনিবার তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে মাঠিয়েছে পুলিশ।

আত্মহত্যাকারীর নাম আবদুল মান্নান খন্দকার (৪১)। রাজধানীর আদাবরের ১৭/১৮ হোসেন হাউজিংয়ের সেনসেশন অ্যাপার্টমেন্টের পাশের একটি কাঁঠাল গাছ থেকে আদাবর থানার এসআই আবদুল মোমিন পুলিশ তার লাশ উদ্ধার।

এসআই আবদুল মোমিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, আত্মহত্যাকারী ব্যক্তি আবদুল মান্নান করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি গত ১৫ জুন মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার রাতে সেখান থেকে পালিয়ে আত্মহত্যা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, আবদুল মান্নানের স্ত্রী ও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। তারা বাসায় আইসোলেশনে আছেন।

মান্নানের শ্যালক মুসা আজাদি গণমাধ্যমকে জানান, তার দুলাভাইয়ের গত ১৫ জুন করোনা শনাক্ত হয়। ওই দিনই তিনি দুলাভাইকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ১৯ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসেন।

মুসা বলেন, ‘ওই রাতেই দুলাভাই আপাকে ফোনে বলেন, ‘আমিতো একটু আগে মরে যাইতে লাগছিলাম। প্রচণ্ড কষ্ট হইছে।’ কী হয়েছিল জানতে চাইলে কল কেটে ফোন বন্ধ করে দেন। রাতে আপা আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। কিন্তু তখন আর হাসপাতালে খোঁজ নিতে পারিনি। সকালে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে খবর পাই উনি সেখান থেকে পালিয়েছেন।

তিনি বলেন, পরে জানতে পারি আপা-দুলাভাই যে বাসায় থাকতেন তার পেছনে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দুলাভাইকে পাওয়া গেছে।