শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:৫৪
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

আকবর বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেক্সরিপোর্ট  পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমার বিশ্বাস এসআই আকবর এখনও দেশের বাইরে যায়নি। কারণ সীমান্তগুলোকে আমরা সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছি। তবে আকবর বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে নিহত রায়হানের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রায়হান হত্যায় ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসআই আকবর পুলিশের জন্য লজ্জা। এরকম দু-একজন কুলাঙ্গারের কারণে পুলিশ বাহিনীও লজ্জিত।

তিনি বলেন, রায়হান হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া (সাময়িক বরখাস্ত) বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। এর আগে সিলেটের রাজন হত্যার আসামিকে সৌদি আরব থেকে ফিরিয়ে আনা বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় জড়িত সদস্যদের বাঁচাতে কোনো ধরণের অপচেষ্টা করেনি পুলিশ। আমাদের পুলিশ খুবই দক্ষ। অনেক বড় বড় অপরাধীদের গ্রেফতারে তারা সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনায় একজন ছাড়া বাকী সবাই নজরদারিতে আছে।

এসময় এমসি কলেজে গণধর্ষণ ও পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে এবং আকবরকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে এসএমপি কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন সাংবাদিকরা।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ কমিশনারের কোনো অদক্ষতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সব ঘটনাতেই সিলেটের পুলিশ খুব তৎপর ছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসে এমসি কলেজ হোস্টেলে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৮ আসামির কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি এসএমপি পুলিশ। সবাইকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ও জেলা পুলিশ। অন্যদিকে রায়হান হত্যার ঘটনায় এসএমপির তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদের পরই পালিয়ে যায় আকবর। পুলিশের হাতে থাকা অবস্থায় কিভাবে পালিয়ে গেল তা নিয়ে নিহতের পরিবার এবং সচেতন নাগরিকদের সমালোচনার মুখে পড়ে এসএমপি।