রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১২:০৬
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

হিজলায় আ’লীগের দু গ্রুপে সংঘর্ষ : ৫০০ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

ডেক্সরিপোর্ট  বরিশালের হিজলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর ‍পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ৫শ জনকে আসামী করে মামলা করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিজলা থানার ওসি অসীম কুমার সিকদার।

মামলার আসামীরা সকলেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী।

ওসি জানিয়েছেন, ৫০ জনের নাম উল্লেখ এবং সাড়ে ৪শ জনকে অজ্ঞাত করে মামলাটি দায়ের করেছেন থানার এসআই ফারুক খান। মামলা নং-৫। ১৫ই ডিসেম্বর রাতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার হয় পুলিশ সদস্যরা। এই ঘটনাতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, মামলায় আওয়ামী লীগের উভয়পক্ষকেই আসামী করেছে পুলিশ। আসামীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা লোকমান সিকদার, কাজল হোসেন রাঢ়ী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তানভীর, সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বড়জালিয়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি বশির আহম্মেদ, ছাত্রলীগ নেতা জিদান হাওলাদার, যুবলীগ নেতা নিজাম সরদার প্রমূখ।

এর আগে ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথের অনুসারী সুলাইমান শান্তকে মারধর করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মো. টিপু সিকদারের লোকজন। এনিয়ে দুটি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিলে রাতভর উপজেলা শহরে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করে। এবং গভীর রাতে দুটি গ্রুপ ব্যাপক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশসহ অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়।

থানা পুলিশের এই মামলায় সরকারি কাজে বাঁধাদানসহ বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।