শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৫২
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

পাকিস্তানি নারীদের শিক্ষাবৃত্তিতে সই করলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক  ‘মালালা ইউসুফজাই শিক্ষাবিষয়ক অ্যাক্ট’ নামে একটি বিলে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এই আইন অনুসারে পাকিস্তানের নারীরা উচ্চশিক্ষায় মেধাবৃত্তিতে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। খবর দ্যা ডনের।

এ মাসের শুরুতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাবিত আইনটি পাস হয়। এটি প্রেসিডেন্টের সইয়ের জন্য হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয়। নতুন এই অ্যাক্টের নামকরণ করা হয়েছে নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাইয়ের নামে।

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলছে, মালালা ইউসুফজাই স্কলারশিপ অ্যাক্টে স্থানীয় সময় গত বুধবার ট্রাম্প সই করেন। এই অ্যাক্টে ট্রাম্পের সইয়ের পর ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএইড) অর্থায়নে পাকিস্তানের নারীরা মেধা ও প্রয়োজন অনুসারে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ বৃত্তি পাবেন।

গত বছরের মার্চ মাসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে প্রথমবার বিলটি পাস করা হয়। এরপর ১ জানুয়ারি মার্কিন সিনেটে কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।

পাকিস্তানভিত্তিক উচ্চশিক্ষা বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তানের নারীদের ২০২২ সাল পর্যন্ত ৫০টি শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে।

এই শিক্ষাবৃত্তি পাঠ্যক্রম ও যোগ্যতা অনুসারে দেওয়া হবে। শিক্ষাবৃত্তি অনুসারে, ইউএসএইড যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। পাকিস্তানের শিক্ষা কর্মসূচির উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে।

২০১২ সালের ৯ অক্টোবর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তালেবানদের হাতে আক্রান্ত হন পাকিস্তানি স্কুলছাত্রী মালালা। তার নামেই এ বৃত্তির নামকরণ করা হয়।