মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৫৪
শিরোনাম :
মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী

নীলক্ষেত ও তিতুমীর কলেজ মোড়ে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ডেক্সরিপোর্ট  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত কলেজের সব পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণায় বিক্ষোভ করেছে অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় নীলক্ষেত মোড় ও তিতুমীর কলেজের সামনের রাস্তা অবরোধ করে তারা এ বিক্ষোভ করেন। এক ঘণ্টা বিক্ষোভের পর রাত ১০ টায় আন্দোলন স্থগিত করেন তারা। এ সময় বুধবার সকাল ৯টা থেকে ফের আন্দোলনের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টায় অধিভুক্ত কলেজগুলোর পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গত সোমবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে আজ সন্ধ্যায় কলেজের অধ্যক্ষদের সাথে আলোচনা করে অধিভুক্ত সাত কলেজের পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

নীলক্ষেত ও তিতুমীর কলেজ মোড়ে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আন্দোলনরত ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাহিনুর সুমী বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের পরীক্ষা চলছিলো। সকাল ৯টায় আমাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিলো। আমরাও প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু পরীক্ষার টেবিলে আমরা শুনি পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ এ ধরনের ঘোষণায় আমরা বিপাকে পড়ে গিয়েছি। আমাদের অনেকেই পরীক্ষার চলবে এমন ঘোষণায় বাড়ি থেকে ঢাকায় চলে আসে। ঢাকায় আসার পর তাদের বাসা নেওয়া, ফরম ফিলআপ এবং ভর্তি হওয়া পর্যন্ত বিশ থেকে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের সিদ্ধান্তে আমরা হতাশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।

সেজনজটে পড়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমনিতে সেশনজটে পড়েছি। আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছে না, ক্যাম্পাস বন্ধ করে রাখা হয়েছে, এটা যৌক্তিক কোন বিষয় না। করোনাকালীন সময়ে সবকিছু চলছে, শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না।’

এসময় তারা পরীক্ষা নেওয়ার দাবি ও শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দিতে হবে এসব স্লোগান দিতে থাকে।

আন্দোলনের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ও কলেজের অধ্যক্ষদের সাথে আলোচনা করে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।