রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১:০৫
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা পুলিশের প্রধান কাজ:পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক  কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার এসপি মোঃ খাইরুল আলম বলেছেন,অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা পুলিশের প্রধান কাজ।

মঙ্গলবার (১৮ মে) সকাল ১১ টায় চৌরঙ্গী তদন্ত কেন্দ্র বার্ষিক পরিদর্শন কালে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ পুলিশ সুপার মোঃ খাইরুল আলম এ কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন “মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার পুলিশ হবে জনতার ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। জনতার পুলিশ, মানবিক পুলিশ হওয়ার জন্য দুনীতি মুক্ত, মাদক মুক্ত, হয়রানি ও নির্যাতন মুক্ত পেশাদার পুলিশের মত করে কাজ করতে হবে এবং বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক লোকদের মাঝে নির্ভেজাল পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে হবে।

পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া আরো বলেন থানায় আগত লোকদের কথা মানবিক ভাবে শুনতে হবে এবং ভিকটিমকে সবধরনের আইনগত সহায়তা দিতে হবে আর অপরাধী যেই হোকনা কেন তাকে আইনের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা পুলিশের প্রধান কাজ।

এ ছাড়াও তিনি একই দিনে বেলা ২ টায় পান্টি পুলিশ ক্যাম্প ও বিকাল ৪ টায় বাঁশগ্রাম পুলিশ ক্যাম্প আকস্মিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের শুরুতেই স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব মেনে সালামী গ্রহণ করেন।

অতঃপর তদন্তকেন্দ্র ও পুলিশ ক্যাম্পের গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্রারপত্র পর্যালোচনা, অফিসার ফোর্সদের দৈনিন্দন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, হাজত খানা, সরকারী অস্ত্রগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। দাপ্তরিক কর্মবন্টন সুষম, সেবা প্রত্যাশীদের প্রতি যথাযথ সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা অব্যাহত, সরকারী সকল সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সংরক্ষণ, বিভাগীয় লক্ষ্য অর্জনে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া তদন্তকেন্দ্র ও পুলিশ ক্যাম্পে আগত সেবাপ্রার্থীদের গুনগত সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।কমিউনিটি পুলিশ ও বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরো স্বচ্ছ এবং গতিশীল করার লক্ষ্যে বিট অফিসারদের সকল প্রকার তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে সব ধরনের আসামি গ্রেফতার, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন, নৈতিকতা বিবর্জিত কাজ বর্জন, জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। পরিদর্শনকালে তদন্তকেন্দ্র ও পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত অফিসার ফোর্সের সমস্যার বিষয়গুলি গভীর মনোযোগের সহিত শ্রবণ, অনুপ্রেরনামূলক বক্তব্য উপস্থাপন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। চৌরঙ্গী তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শনের অন্তিম পর্যায়ে এলার্ম প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

এলার্ম প্যারেডের সংকেত পাওয়া মাত্রই পূর্ব নির্ধারিত ডিউটি পার্টিগণ নিজ নিজ পোস্টে অবস্থান নেয় এবং বিধি মোতাবেক কার্য সমাপ্ত করেন। পরিদর্শনকালে তিনি অফিসার/ফোর্সের ব্যারাক সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক বেড হতে অপর বেডের দুরত্ব ০৩ ফিট হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, কুষ্টিয়া, এএসপি (প্রবি) মোঃ আরিফুল হোসেইন তুহিন,অফিসার ইনচার্জ, কুমারখালী থানা, কুষ্টিয়া, চৌরঙ্গী তদন্ত কেন্দ্র, পান্টি পুলিশ ক্যাম্প, বাঁশগ্রাম পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ও ফোর্সগণ।