শনিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২১ ইং, রাত ৩:১০

অধস্তন আদালতে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রমের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট  প্রায় আড়াই মাস পর রবিবার (২০ জুন) থেকে দেশের অধস্তন আদালতে স্বাভাবিক বিচার কাজ শুরু হচ্ছে। অধস্তন সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ পরিচালনা করতে বিচারকদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

একইসঙ্গে আদালতের বিচারিক কর্মঘণ্টার প্রথম ভাগে সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক/আপিল/রিভিশন/রিভিউ শুনানি এবং দ্বিতীয় ভাগে জামিন সংক্রান্ত বিবিধ মামলা, জামিনের দরখাস্ত ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তসহ অন্যান্য দরখাস্ত শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বিচারকদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল শনিবার (১৯ জুন) রাত ১১ টায় এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক কোনো জেলা সদর/মহানগরে কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে বিধি-নিষেধ জারি করা হলে সংশ্লিষ্ট জেলার/মহানগরের দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও জরুরি দরখাস্ত শুনানি করা যাবে।

দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় যে ক্ষেত্রে আদালতে পক্ষগণের উপস্থিতির আবশ্যকতা নেই সেক্ষেত্রে পক্ষগণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী আদালতে হাজিরা দাখিল করবেন। জামিন শুনানি এবং আমলি আদালতে ধার্য তারিখে হাজিরার জন্য কারাগারে থাকা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগার হতে প্রিজনভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালত প্রাঙ্গণে বা এজলাস কক্ষে হাজির করার আবশ্যকতা নেই ।

এছাড়া অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আদালত প্রাঙ্গণ এবং এজলাস কক্ষে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ

করতে হবে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত এপ্রিল মাস থেকে অধস্তন আদালতে ভার্চুয়ালি সীমিত পরিসরে বিচার কাজ চলছিলো। এসময় শুধুমাত্র হাজতি আসামির জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শারীরিক উপস্থিতিতে আসামি আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। এখন রবিবার থেকে অধস্তন সকল আদালতে স্বাভাবিক বিচার কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হলো।